এবার কাজের নিরিখে বিধায়কদের পুরস্কৃত করবে রাজ্য বিধানসভা। কোন বিধায়ক কেমন কাজ করছেন তা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট তৈরি করবে একটি এজেন্সি। তার রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে প্রতি বছর একজন করে বিধায়ককে পুরস্কৃত করা হবে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস।
সেরা বিধায়ক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখা হবে হাজিরা ও ভূমিকা। বিধানসভার অধিবেশনে একজন বিধায়কের উপস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে। দ্বিতীয়ত, দেখা হবে ওই বিধায়ক তাঁর নিজের বিধানসভা এলাকার বাসিন্দাদের স্বার্থে কোন কোন কাজ করেছেন। সেসব খতিয়ে দেখে রিপোর্ট তৈরি করবে একটি এজেন্সি। তাদের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে প্রতি বছর সেরা বিধায়ককে পুরস্কৃত করা হবে।
সেরা বিধায়ক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখা হবে হাজিরা ও ভূমিকা। বিধানসভার অধিবেশনে একজন বিধায়কের উপস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে। দ্বিতীয়ত, দেখা হবে ওই বিধায়ক তাঁর নিজের বিধানসভা এলাকার বাসিন্দাদের স্বার্থে কোন কোন কাজ করেছেন। সেসব খতিয়ে দেখে রিপোর্ট তৈরি করবে একটি এজেন্সি। তাদের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে প্রতি বছর সেরা বিধায়ককে পুরস্কৃত করা হবে। স্পিকারের এই সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তার ফলে বিধায়কদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের উৎসাহ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ছাব্বিশের নির্বাচনে প্রথমবার বাংলায় সরকার গঠন করেছে বিজেপি। ফলতা-সহ ২০৭টি বিধানসভায় জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। বিধানসভায় ১৮১ জন নতুন বিধায়কদের। শাসক ও বিরোধী সব শিবিরের অভিজ্ঞদের কাছ থেকে কাজ শিখে নেওয়ার বার্তা জানান স্পিকার রথীন্দ্র বোস। তিনি বলেন, "নিজের এলাকা এবং সামগ্রিক রাজ্য উন্নয়নের স্বার্থে কীভাবে বিধানসভার মঞ্চকে সঠিক ও কার্যকর উপায়ে ব্যবহার করা যায়, তা অভিজ্ঞ বিধায়কদের কাছ থেকে শিখে নিতে পারেন প্রথমবার জয়ী হওয়া বিধায়করা।"
