এবার থেকে জন্ম, মৃত্যুর শংসাপত্র (Birth and Death Certificates) আর দিতে পারবেন না পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুরপ্রধানরা। সরাসরি সরকারি আধিকারিকেরা তা দিতে পারবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে গোটা রাজ্যে আধিকারিকদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল। পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে থাকবে না আর আর্থিক ক্ষমতাও। তার পরিবর্তে পঞ্চায়েতের সচিবদের হাতে তুলে দেওয়া হবে এই দায়িত্ব। আগামী শনিবার এই মর্মে বিধানসভায় বিল পেশ হতে পারে বলেই জানান পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে গরমিল খুঁজতে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কলকাতা-সহ দুর্গাপুর, নদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, রামপুরহাট, দুবরাজপুর এবং কোচবিহারের বিভিন্ন পঞ্চায়েত, পুরসভা-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় হানা দেন তদন্তকারীরা। রেজিস্টার, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র খতিয়ে দেখতে সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
তিনি বলেন, "জন্ম শংসাপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি। তবে ভোট পরবর্তী সময়ে বারবার জন্ম শংসাপত্র নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। এসআইআরের ক্ষেত্রেও অনেকে ভুলত্রুটি নজরে এসেছে। পুলিশের কাছেও নানা অভিযোগ এসেছে। বহু জায়গায় নকল জন্ম শংসাপত্র ধরা পড়েছে। অনেকে সুযোগসুবিধা নিয়েছেন।" জন্ম, মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কেউ দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী ১৯৯৭ সাল থেকে নথিবদ্ধ সমস্ত শংসাপত্র যাচাই করে দেখা হবে। তার ভিত্তিতে তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হবে। ওই তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্রের পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। সেক্ষেত্রে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করা হবে। যাঁর কাছে শংসাপত্র নেই, তাঁদের শুনানি করে দেওয়া হবে। অবৈধ শংসাপত্রগুলি বাতিল করা হবে। সাধারণ নাগরিককে আশ্বস্ত করে মুখ্যসচিব বলেন, "কারও ভয় পাওয়ার কিছু নেই। জন্ম শংসাপত্র যাচাই শুধুমাত্র একটা নিয়ম। সরকারি আধিকারিকরা এটা যাচাই করবেন। কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মী যাচাই করবেন না।"
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে গরমিল খুঁজতে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। কলকাতা-সহ দুর্গাপুর, নদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, রামপুরহাট, দুবরাজপুর এবং কোচবিহারের বিভিন্ন পঞ্চায়েত, পুরসভা-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় হানা দেন তদন্তকারীরা। রেজিস্টার, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র খতিয়ে দেখতে সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
