রাজ্যে নির্বাচনের (Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার পরেই রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এমনকী গত কয়েকদিনে একাধিক পুলিশ কর্তাকে বদলি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বদলি করা হয়েছে রাজ্যের একাধিক বিডিও, বিভিন্ন থানার ওসি-সহ ২৬৭ জন আধিকারিককে। কমিশনের এহেন পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে এবার মামলা কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta HC)। আজ, সোমবার সকালেই হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে দ্রুত মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়। এরপরেই মামলা দায়েরর অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। জানা যাচ্ছে, আগামিকাল মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।
গত কয়েকদিনে একাধিক পুলিশ এবং প্রশাসনে রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এমনকী রবিবারও প্রশাসনের একঝাঁক পুলিশ কর্তাকে বদল করে দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের ১৭০ থানার ওসিকে। তালিকায় রয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক। আর সেই সংখ্যাটা সবমিলিয়ে ১৮৪। এছাড়াও ৮৩টি ব্লকের বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই তালিকায় রয়েছেন নন্দীগ্রামের দুই ব্লকের বিডিও। কমিশনের এহেন পদক্ষেপকেই চ্যালেঞ্জ করেই হাই কোর্টে মামলা দায়ের হল।
যদিও এর আগেও মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের বদল নিয়ে হাই কোর্টে মামলা হয়। গত সপ্তাহে সেই মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে কমিশনের এহেন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতে জোরাল সওয়াল করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। এমনকী যেভাবে আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই সংক্রান্ত মামলা এখনও হাই কোর্টে বিচারাধীন। এরমধ্যেই ফের একবার বিডিও এবং ওসি অপসারণের বিরোধিতা করে ফের হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
