ফেরার থেকেও লাইভে ধরা দিয়েছেন বারবার। তারপরেও ইডির জালে অধরা কসবার সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। এবার এই ঘটনায় এক পুলিশকর্তা ও একজন ব্যবসায়ীকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
প্রসঙ্গত, গত ১ এপ্রিল মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেদিন সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৬৭ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা মূল্যের সোনা ও রুপোর গয়না। অভিযানে সোনা পাপ্পুর একটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। বাজেয়াপ্ত হয়েছিল একটি পিস্তলও। ওই দিনই জয় কামদার নামে ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকেও টাকা উদ্ধার হয়েছিল বলে খবর ইডি সূত্রে। এবার সেই ব্যবসায়ীকে সমন পাঠাল ইডি। এই ঘটনায় আইপিএস গৌরব লালকেও তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ছিলেন গৌরব। বর্তমানে তিনি হাওড়া পুলিশে কর্মরত।
সোনা পাপ্পু এখন পলাতক। ইডি তাঁকে সমন পাঠালেও হাজিরা দেননি। এর মধ্যই সোনা পাপ্পুর মামলায় ইডির নজরে ব্যবসায়ী জয় কামদার। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক 'লিঙ্ক' খুঁজতেই মরিয়া তদন্তকারীরা। এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে আইপিএস গৌরব লালকেও।
ইডি সূত্রে খবর, কসবা, বালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ ছিল সোনা পাপ্পুর হাতে। সূত্র মারফত ইডি আধিকারিকেরা জানতে পারেন, তিনি নাকি বিভিন্ন নির্মাণসংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তুলতেন এবং তাঁর মাধ্যমেই সেই টাকা বিভিন্ন 'প্রভাবশালী'দের কাছে পৌঁছে যেত। সেই সূত্র ধরেই অভিযান শুরু করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক সোনা পাপ্পু। ইডি তাঁকে সমন পাঠালেও হাজিরা দেননি। এর মধ্যই সোনা পাপ্পুর মামলায় ইডির নজরে ব্যবসায়ী জয় কামদার। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক 'লিঙ্ক' খুঁজতেই মরিয়া তদন্তকারীরা। এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে আইপিএস গৌরব লালকেও তলব করা হয়েছে।
