ফের পিছোতে পারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন! ২৮ ফেব্রুয়ারি নাও প্রকাশিত হতে পারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, এমনটাই কমিশন সূত্রে খবর। প্রযুক্তিগত সমস্যার দোহাই দেওয়া হচ্ছে কমিশনের তরফে। কারণ শুনানির সময়সীমা শেষ হলেও লক্ষাধিক আবেদনকারীর তথ্য আপলোড বকেয়া রয়ে গিয়েছে। ফলে তথ্য যাচাইয়ের কাজে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। মঙ্গলবার আরও ৩৫ হাজার আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানি পর্ব শেষ হতেই নতুন করে জটিলতা সামনে এসেছে। বিপুল সংখ্যক ভোটারের নথি এখনও অনলাইনে তোলা হয়নি! এ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই সামনে এসেছে। জেলাভিত্তিক যে পরিসংখ্যান পাওয়া গিয়েছে তা হল, এখনও মোট ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২টি নথি আপলোড বাকি। কয়েকটি জেলায় সংখ্যাটা উদ্বেগজনক। কোচবিহারে ১০,৪৭৯, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০,২৮৫, উত্তর কলকাতায় ১৫,০৩১ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ২০,৭০৭টি নথি এখনও সিস্টেমে তোলা হয়নি। হাওড়াতেও বাকি ১০,৪৯৯। দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি আপলোডের অপেক্ষায়। অন্যদিকে, মালদহ, ঝাড়গ্রাম ও কালিম্পংয়ে আপলোড সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ নেই বলেই জানা যাচ্ছে।
জেলাভিত্তিক যে পরিসংখ্যান পাওয়া গিয়েছে তা হল, এখনও মোট ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২টি নথি আপলোড বাকি। কয়েকটি জেলায় সংখ্যাটা উদ্বেগজনক। কোচবিহারে ১০,৪৭৯, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০,২৮৫, উত্তর কলকাতায় ১৫,০৩১ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ২০,৭০৭টি নথি এখনও সিস্টেমে তোলা হয়নি। হাওড়াতেও বাকি ১০,৪৯৯।
কমিশন জানিয়েছে, যে ১২টি রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে সব রাজ্যেই আপলোড বন্ধ রয়েছে। নতুন করে আর সম্ভব নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই বিষয়টি দেখা হবে। তবে কাদের গাফিলতিতে লক্ষাধিক মানুষ তালিকায় নাম তোলার আবেদন থেকে বঞ্চিত হলেন তা খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবার এদিন কমিশন জানিয়েছে নতুন করে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে চলেছে। কারণ, এঁরা যে নথি দিয়েছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়।
