Advertisement

ডিসেম্বর থেকেই ‘স্বাস্থ্যসাথী’র আওতায় রাজ্যের সব পরিবার, নবান্ন থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

05:26 PM Nov 26, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের সকলেই সরকারি প্রকল্প ‘স্বাস্থ্যসাথী’র সুবিধা পাবেন, এই ঘোষণা আগেই করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কীভাবে তার জন্য আবেদন, কীভাবে ব্যবহার করা যাবে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ড, তাও জানিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি সেই কার্ড প্রকাশ করলেন। এরপরই আবেদনকারীদের হাতে হাতে চলে যাবে স্মার্টকার্ডটি। পয়লা ডিসেম্বর (December) থেকে চালু হয়ে যাবে এই পরিষেবা। পরিবারের অভিভাবকের নামে ৫ লক্ষ টাকার বিমা সংক্রান্ত কার্ড দেখিয়ে রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে তো বটেই, ভেলোর এবং এইমসেও চিকিৎসা করানো যাবে। তাঁর প্রিয় রং নীলেই তৈরি করা হয়েছে কার্ডটি।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

এদিনের বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অঙ্গনওয়াড়ি (ICDS) কেন্দ্রের কর্মীদের জন্য পূর্বঘোষিত বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হচ্ছে ডিসেম্বর থেকে। অর্থাৎ নতুন বছর থেকে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা হাতে পাবেন অঙ্গনওয়াড়ি ও আশা কর্মীরা। এই ঘোষণা শুনে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত তাঁরা সকলে। কারণ, সরকারি ঘোষণার পর তা কার্যকর হতে সাধারণত অনেকটাই সময় লাগে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে আমলে প্রশাসনে লাল ফিতের ফাঁস কিছুটা আলগা হয়েছে। তাই ঘোষণা থেকে বাস্তবায়নের মধ্যে সময়ের ফারাকও কমেছে।

[আরও পড়ুন: ‘বস্তাপচা জঙ্গল পার্টি’, নাম না করে বিজেপিকে তোপ মমতার]

বৃহস্পতিবার আরও বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঁকুড়া থেকে ‘দুয়ারে দুয়ারে সরকার’ নামে যে প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন, এবার দ্রুততার সঙ্গে ‘স্বাস্থ্যসাথী’-সহ নানা রাজ্য সরকারি প্রকল্প ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তাকেই সামনে আনার কথা বললেন তিনি। জানালেন যে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ক্যাম্প করা হবে সরকারের তরফে। সেখানেই যে যা সুবিধা পাননি অথচ প্রত্যাশা করছেন, তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সহজেই কাজ হবে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

[আরও পড়ুন: ‘রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিন’, কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ সাংসদ কল্যাণের]

এদিন ‘স্বাস্থ্যসাথী’র কার্ড প্রকাশ্যে এনে তার সঙ্গে কেন্দ্রের ‘আয়ুষ্মান ভারত যোজনা’র তুলনাও করেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, ”আয়ুষ্মান প্রকল্পে কেন্দ্রে চিকিৎসার ৬০ শতাংশ খরচ দেয়, ৪০ শতাংশ আমাদেরই দিতে হয়। আর আমাদের প্রকল্পে ১০০ শতাংশ খরচই দিই আমরা। এতে অনেক বেশি মানুষ উপকৃত হন।” এ প্রসঙ্গেই তিনি কেন্দ্রের থেকে প্রাপ্য অর্থ নিয়ে ফের সরব হন। ফের অভিযোগ তোলেন যে রাজ্যগুলোর প্রাপ্য অর্থ দিচ্ছে না কেন্দ্র। সেই অর্থ হাতে না পেয়েও এত রকমের প্রকল্প করা হচ্ছে প্রতিকূলতা কাটিয়ে, তা দৃষ্টান্ত বলেও দাবি করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next