রাজ্যে পালাবদল হতেই ফের চর্চায় আর জি কর ধর্ষণ মামলা (RG Kar Case)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে খুলেছে আর জি কর 'ফাইলস'। এবার সেই মামলায় রাজ্য সরকারকে সাহায্য করতে চাইলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন (Santanu Sen)। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চাইলে, আর জি করের ঘটনায় তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত। কিন্তু এতদিন কেন চুপ ছিলেন? এই বিষয়ে শান্তনুর দাবি, শুধুমাত্র মেয়ের কেরিয়ারের কথা ভেবে মুখ বন্ধ রেখেছিলাম। কিন্তু এখন মেয়ে ডাক্তার হয়ে গেছে। তাই আর কোনও পিছুটান এখন আর নেই।
আজ, বুধবার একাধিক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন শান্তনু সেন। সেখানেই তদানীন্তন উত্তরবঙ্গ লবির সমালোচনা করে বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সরব হন। শুধু তাই নয়, তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ইস্যুতেও এদিন মুখ খোলেন তৃণমূল নেতা। বলেন, ''পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে উত্তরবঙ্গ লবির কিংপিন চিকিৎসক এস পি দাসের অঙ্গুলিহেলনে দাসের দাসত্বে আবদ্ধ ছিল বাংলার স্বাস্থ্যব্যবস্থা। এছাড়াও সন্দীপ ঘোষ, আগের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের নেতৃত্বে দুর্নীতির নেক্সাস তৈরি হয়েছিল। আর এই পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির হুইসেল-ব্লোয়ার ছিলাম।'' প্রাক্তন সাংসদের কথায়, ভেবেছিলাম শুধরে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু রোগীকল্যাণ সমিতির পদ থেকে আমাকেই সরিয়ে দেওয়া হল।
বুধবার একাধিক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন শান্তনু সেন। সেখানেই তদানীন্তন উত্তরবঙ্গ লবির সমালোচনা করে বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সরব হন। শুধু তাই নয়, তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ইস্যুতেও এদিন মুখ খোলেন তৃণমূল নেতা।
শুধু তাই নয়, অভয়ার ঘটনা টেনে এদিন তৃণমূল নেতা আরও বলেন, ''অভয়ার ঘটনা মর্মান্তিক ছিল। সত্য কথা বলেছিলাম বলে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সরকার বদলেছে। সারা বিশ্ব অভয়ার বিচারের দিকে তাকিয়ে আছে। এজন্য আমি সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।''
এদিন তৃণমূল নেতা আরও বলেন, ''অভয়ার ঘটনা মর্মান্তিক ছিল। সত্য কথা বলেছিলাম বলে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সরকার বদলেছে। সারা বিশ্ব অভয়ার বিচারের দিকে তাকিয়ে আছে। এজন্য আমি সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।''
বলে রাখা প্রয়োজন, আর জি কর কাণ্ডের পরেই রাত দখল আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন শান্তনু সেন। তাতে দল বিরোধী বক্তব্যের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তাঁকে। মুখপাত্রের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে পরে সেই দূরত্ব পরে মিটে যায়। রাজ্যে পালাবদলের পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ এই নেতা। সোশাল মিডিয়ায় শান্তনু সেন লেখেন, 'চিকিৎসা আন্দোলনের দীর্ঘদিনের একজন সৈনিক হিসেবে, শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়কে রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একাধিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী প্রকল্প গ্রহণ করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।'
