দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, বহু ভুয়ো অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে মু্খ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানালেন, ৩০ লক্ষ ভুয়ো অ্যাকাউন্টে ঢুকছিল টাকা। শুধু অনুপ্রবেশকারীই নন, বহু পুরুষের অ্যাকাউন্টেও নাকি ঢুকছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! এদিন মুখ্যমন্ত্রী সাফ বললেন, "শুধু রাষ্ট্রবাদী ভারতীয় মহিলারাই পাবেন এই টাকা, কোনও রাকিবুল নন।"
আজ অর্থাৎ ২৭ তারিখ থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম। আগামী ২ জুনের মধ্যে যারা ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন। তাঁরা ৩ তারিখ থেকে টাকা পাবেন। তবে অন্নপূর্ণা যোজনা চালু না হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চলবে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে। তবে অভারতীয়, আয়কর দেন, সরকারি বা সরকার পোষিত কোনও চাকরি করেন যারা, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না।
একুশের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এলে বাংলার মা-বোনেদের জন্য লক্ষ্মীরভাণ্ডার (Laxmir Bhandar) প্রকল্প চালু করবেন তিনি। তাতে মাসে একটা নির্দিষ্ট অর্থ পাবেন তাঁরা। নির্বাচনে জেতার পরই কথা রেখেছিলেন তিনি। চালু হয়েছিল প্রকল্প। কিন্তু বারবার অভিযোগ উঠেছে বহু ভুয়ো আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে ঢুকছে টাকা। ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন আদতে যাদের পাওয়ার কথা তাঁরা। একাধিকবার প্রকাশ্যে এসেছে, বহু মৃত ও পুরুষের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে টাকা। বুধবার পরিসংখ্যান তুলে ধরে শুভেন্দু দাবি করলেন, ৩০ লক্ষ অবৈধভাবে পাচ্ছিলেন এই প্রকল্পের সুবিধা। তবে আর তা হবে না।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, অভারতীয়, পুরুষ-যাদের অ্যাকাউন্টে এত দিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকা ঢুকত, তাঁদের নাম এবার বাদ পড়বে। ঝাড়াই-বাছাইয়ের সুবিধার জন্য নতুন করে ফর্ম পূরণের প্রক্রিয়াটি রাখা হয়েছে।আগামীতে শুধু বৈধ নাগরিকরাই (মহিলা) অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন। জানা যাচ্ছে, আজ অর্থাৎ ২৭ তারিখ থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম। আগামী ২ জুনের মধ্যে যারা ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন। তাঁরা ৩ তারিখ থেকে টাকা পাবেন। তবে অন্নপূর্ণা যোজনা চালু না হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চলবে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে। তবে অভারতীয়, আয়কর দেন, সরকারি বা সরকার পোষিত কোনও চাকরি করেন যারা, তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না।
