shono
Advertisement
Showcause notice to 17 more hotels in New Market

'শিখা'য় শিক্ষা! নিউ মার্কেটের আরও ১৭ হোটেলকে শোকজ দমকলের! ২৪ ঘণ্টার 'ডেডলাইন'

২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। সদুত্তর না পেলে হোটেলগুলিতে তালা পড়তে পারে।
Published By: Arpita MondalPosted: 03:23 PM Aug 21, 2026Updated: 04:44 PM Aug 21, 2026

'শিখা'য় বিভীষিকার পর অ্যাকশনে প্রশাসন! নিউ মার্কেটের আরও ১৭ টি হোটেলকে শোকজ করল দমকল। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে ওই হোটেলগুলির বিরুদ্ধে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। সদুত্তর না পেলে হোটেলগুলিতে তালা পড়তে পারে। ইতিমধ্যে ১১টি হোটেল বন্ধ করেছে কতৃপক্ষ।

Advertisement

মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউ মার্কেটের মিরজা গালিব স্ট্রিটের হোটেল 'শিখা ইন'-এ আগুন লেগে গিয়েছিল। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ন'জনের। তাঁদের ৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি। জানা গিয়েছে, চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় এসে চরম পরিণতির মুখে পড়েন তাঁরা। এই ঘটনায় তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশের সিট। গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। তবে এখনও বেপাত্তা হোটেল মালিক। অগ্নিকাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে হোটেলগুলিতে নজরদারি বাড়িয়েছে পুরসভা ও দমকল। বৃহস্পতিবার মিরজা গালিব স্ট্রিটেরই ন'টি গেস্ট হাউস এবং চারটি রেস্তরাঁকে শোকজ করা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকেও জবাব চাওয়া হয়েছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। শুক্রবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও ১৭টি হোটেলের নাম। তাদেরও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে হবে।

নতুন করে মার্কুইজ স্ট্রিটের ১০টি হোটেলকে শোকজ নোটিস ধরিয়েছে দমকল। সেই তালিকায় রয়েছে মির্জ় গালিব স্ট্রিটের পাঁচটি, এসএন ব্যানার্জি রোডের একটি ও তপসিয়া রোডের একটি হোটেলও। প্রত্যেকটি হোটেলের মালিকদের নোটিস ধরিয়েছে দমকল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অগ্নিনির্বাপণ সহ যাবতীয় ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জবাব তলব করা হয়েছে। কোথাকার অগ্নিনির্বাপণ সুরক্ষা কেমন, তা বিশদে জানাতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। তা সন্তোষজনক না মনে হলে দমকল বিভাগ হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দিতে পারে বলে সূত্রের খবর। বুধবার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে এত বড় অগ্নিকাণ্ডের পর দেখা গিয়েছে, আগুন থেকে বাঁচতে কোনও ব্যবস্থাই কার্যত ছিল না সেখানে। এমনকী গেস্ট হাউসটির পিছনে ‘এমারজেন্সি এক্সিট’ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পাঁচিল তুলে। যার জন্য আগুন লাগার পর হোটেল থেকে বেরিয়ে যেতে না পেরে ৯ জনকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিউ মার্কেটের এই হোটেলগুলোর অধিকাংশ আবাসিকরাই মূলত বাংলাদেশি। কলকাতায় চিকিৎসা করাতে আসেন। ফলে  ১১টি হোটেল বন্ধ হতে তাঁরা বিপাকে পড়েছেন। নতুন করে ঘর খুঁজতে হচ্ছে তাঁদের। আর যাঁরা আগাম বুকিং করে রেখেছেন তারা অথৈ জলে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, অনলাইনে রুম বুক করেছিলেন এখন হোটেল ম্যানেজার ফোন ধরছে না। তাই নতুন করে ঘর খুঁজতে হচ্ছে তাঁদের।    

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement