তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে আরও দুর্বল করতে এবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন প্রাক্তন মেয়র তথা মমতার এক সময়ের আস্থাভাজন ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৬৫। এই পর্বেই ফিরহাদের ভূমিকা রয়েছে বলে দলের একটি অংশের দাবি। সেখানে চমকও থাকতে পারে বলে সূত্রের খবর।
তবে বিদ্রোহী শিবিরে ৬০ জনের পর সংখ্যাটা যা দাঁড়াবে তাঁরা প্রত্যেকে এই বিদ্রোহী শিবিরকে সমর্থনের চিঠি দিতে পারেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুকে। বুধবার দিল্লি যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে ফিরে যাওয়ার খবরে উত্তাল, তখন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানতে চাওয়া হয় তাঁরা কী করবেন?
ঋতব্রতর জবাব, “তৃণমূল কংগ্রেসে মিশবে না।” স্বাভাবিকভাবেই এর থেকে পরিষ্কার দলের প্রতীক নিয়ে এবার এই শিবির আইনি প্রস্তুতির দিকে যাবে। তবে সেক্ষেত্রে প্রথমে সংসদীয় দলকে প্রথম এ নিয়ে আবেদন জানাতে হবে লোকসভার অধ্যক্ষর কাছে। অধ্যক্ষ সেটি পাঠাবে নির্বাচন কমিশনে। প্রক্রিয়াগতভাবে সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিলমোহর আসবে। এদিনই ডিজির সঙ্গে দলের বিধায়ক ও তাঁদের সঙ্গে থাকা কর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন ঋতব্রতরা। জেলায় জেলায় কর্মীদের অনেকে ঘরছাড়া। তাঁদের তালিকা এদিন তুলে দেওয়া হয় ডিজির কাছে বলে সূত্রের দাবি।
