"নন্দীগ্রাম নিয়ে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, পালন করব। সংবিধানের নিয়ম অনুসারে নন্দীগ্রাম ছাড়লাম।" বিধানসভায় শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই কথাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী পাঁচ বছর নন্দীগ্রামের মানুষকে কোনও অভাব বুঝতে দেব না। সেই বার্তাও দিলেন তিনি। এদিন ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবেই তিনি বিধানসভায় শপথবাক্য পাঠ করেন।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই আসনেই লড়াই করেছিলেন তিনি। দুটি আসনেই জয়ী হন তিনি। সংবিধান অনুসারে একটি আসন থেকেই তিনি বিধায়ক থাকতে পারেন। কোন আসন তিনি ছাড়বেন? সেই নিয়ে শুরু হয়েছিল চর্চা। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তিনি জানিয়ে দিলেন, নন্দীগ্রাম ছাড়ার প্রসঙ্গ।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন শপথগ্রহণের পর বিধানসভা থেকে বেরন। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের মানুষকে তিনি এদিন ফের শুভেচ্ছা জানান। ভবানীপুর আসনের বিধায়ক হিসেবেই তিনি এদিন শপথ নিয়েছেন। এরপর জানান, সংবিধান অনুসারে একটি আসন ছাড়তেই হবে। সেজন্যই ভবানীপুরের বিধায়ক তিনি থাকছেন। নন্দীগ্রাম আসনটি তিনি ছেড়ে দিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামের সঙ্গে তিনি সবসময় আছেন। বিধায়ক না থাকার সময় থেকেই দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নন্দীগ্রামের উন্নয়নের সঙ্গে তিনি জড়িয়ে। তাঁর জায়গায় অন্য প্রতিনিধি বিজেপির তরফে প্রার্থী হবেন। সেই প্রতিনিধি জিতে এসে কাজ করবেন। তবে নন্দীগ্রামের দিকে তাঁর নজর থাকবে। তাঁর হয়েই প্রতিনিধি কাজ করবেন সেখানে। এই কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামের জন্য দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালব করা হবে। নন্দীগ্রামের মানুষকে অভাব বুঝতে দেবেন না তিনি। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন বিকেলের পর ভবানীপুরে তিনি বিজয়মিছিলও করবেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন।
