বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে নেমে বিজেপি বিরোধী সমর্থন এককাট্টা করতে মাছে-ভাতে বাঙালির আবেগকে হাতিয়ার করেছিলেন তৎকালীন শাসকদল। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সভামঞ্চ থেকে প্রতিদিন বলতেন, 'বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ-মাংস বন্ধ করে দেবে।' ভোটপর্বে নেত্রীর দেখানো পথে হেঁটে মাছ হাতে তৃণমূল প্রার্থীদের মিছিল করতেও দেখা গিয়েছিল। এতকিছুর পরেও বঙ্গমন গলাতে বাধ্য হয়েছে শাসকদল। বিজেপির হাতে ক্ষমতা যেতেই বাঙালি আবেগ ছুঁতে একের পর মাস্টারস্ট্রোক দিচ্ছে বিজেপি! বিজেপির শাসনকালে বাঙালির পাত যে মাছ-ভাত থেকে কোনওভাবেই বঞ্চিত হবে না, তাও বুঝিয়ে দিচ্ছেন খোদ নেতৃত্বরাই। নবান্নের পর বিধানসভার শপথ অনুষ্ঠানেও ম ম করছে মাছের ঘ্রাণ।
আজ বিধানসভায় শপথ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ ১৫২ জন বিধায়ক। শপথগ্রহণ করেছেন নিয়ামত শেখ সহ আরও দু'একজন তৃণমূল বিধায়ক। ছিলেন রেজিনগর ও নওদা থেকে জিতে আসা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির একমাত্র বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আজ বিধানসভায় বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করানোর পর দুপুরের খাবারের কথাও ঘোষণা করেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। বিধানসভার কক্ষে তিনি জানান, 'আজ সব সদস্যের জন্য লাঞ্চের ব্যবস্থা আছে মাছ ভাত।' জানা গিয়েছে, তাপস রায়ের এই ঘোষণার পরেই চওড়া হাসি দেখা যায় শুভেন্দু সহ শাসকদলের বিধায়কদের মুখে। উল্লেখ্য, সোমবার নবান্নের নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকেও ছিল সন্ধ্যায় স্ন্যাকসে ছিল ফিশফ্রাইয়ের ব্যবস্থা।
