রাজ্যে ভোটপর্ব মিটেছে। বিপুল ক্ষমতা নিয়ে বাংলার ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। নিজের গড় ভবানীপুর থেকে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাতে এই ফলাফলের পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই কালীঘাটে পরিবর্তনর হাওয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে সুরক্ষার জন্য রাখা গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হল। সেই রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে আর বাধা নেই। বাইক, গাড়ি অনায়াসে যাতায়াত করছে। তবে মমতার বাড়ির ঠিক সামনে এখনও পুলিশ ক্যাম্প রয়েছে। সেখানে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীও রয়েছেন। তাঁরা অবশ্য এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।
আসলে সরকার বদলের পর বিধি মেনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে থেকে ধাপে ধাপে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সেই নিয়ম মেনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল খোলার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি এখন ন্যূনতম নিরাপত্তা পাবেন। অর্থাৎ জনাকয়েক নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকবেন বাড়ির সামনে। সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে কাজ করছে। পুলিশের তরফে সেই কাজ চলছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাই কালীঘাটের রাস্তায় অন্য ছবি দেখা গেল।
মমতার বাড়ির সামনে দিয়ে অবাধ যাতায়াত আমজনতার। ছবি: অরিজিৎ সাহা
আসলে সরকার বদলের পর বিধি মেনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে থেকে ধাপে ধাপে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সেই নিয়ম মেনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল খোলার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি এখন ন্যূনতম নিরাপত্তা পাবেন। অর্থাৎ জনাকয়েক নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকবেন বাড়ির সামনে। সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে কাজ করছে। পুলিশের তরফে সেই কাজ চলছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাই কালীঘাটের রাস্তায় অন্য ছবি দেখা গেল। এতদিন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলিতে গলিতে গার্ডরেল, পুলিশ মোতায়েন থাকত।
তবে এখনও মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় তাঁর নামে পোস্টার, ব্যানার রয়েছে। তাতে অবশ্য জনসাধারণের যাতায়াতে কোনও সমস্যা নেই। মঙ্গলবার সকালে দেখা গেল, এতদিন নিরাপত্তার কারণে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে রাস্তা দিয়ে যাওয়া যেত না, যে পথে ঘুরে ঘুরে যেতে হতো, সেখান দিয়ে এখন জনগণ নিশ্চিন্তে যাচ্ছেন। এমনকী গাড়ি চলাচলেও আর বাধা রইল না। এই বদলে বেশ খুশি তাঁরা। মনে করা হচ্ছে, আগামী দিনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
