সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকমাস পরেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। ছাব্বিশের ভোট বিজেপির কাছে 'ডু অর ডাই' ম্যাচের মতো। তার আগে ফের 'অ্যাকশনে' ইডি। এই ঘটনা নিয়ে সরব রাজনৈতিক মহল। মমতার পাশে আম আদমি পার্টি থেকে সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব। রাজ্যসভার সাংসদ অভিষেক মনু সিংভিও তাঁর পাশে। যদিও বিপরীত সুর কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর গলায়।
সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদর এদিন সোশাল মিডিয়ায় বিজেপিকে একহাত নেন। লেখেন, "বাংলায় বিজেপির শোচনীয় পরাজয় হতে চলেছে। এটাই তার প্রথম প্রমাণ।" আবার আম আদমি পার্টির তোপ, "এটা ভেনেজুয়েলা নয়। এটা বাংলা। যে রাজ্য়ে ভোট, সেখানেই ইডি। তৃণমূলের অফিসে লুট। এটা লোকতন্ত্র নয়। লুঠতন্ত্র।" রাজ্যসভার সাংসদ অভিষেক মনু সিংভিও ক্ষোভে ফুঁসছেন। তিনি সোশাল মিডিয়ায় বলেন, "বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে ইডি। এবার রাজনৈতিক পরামর্শদাতাদের দিকে তাদের নজর। এটা বিজেপির আরেকটি ভয়ভীতির কৌশল।" যদিও কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর গলায় ভিন্ন সুর। তিনি বলেন, "আইপ্যাকের জন্য মুখ্যমন্ত্রী এত মাথাব্যথা কেন? নিশ্চয়ই কোনও রহস্য আছে।"
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে তল্লাশি। পালটা 'দাবাং' মমতা। তল্লাশি খবর পাওয়ামাত্রই প্রতীকের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসে পৌঁছে যান তিনি। গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে একহাত নেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, ইডির অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল চুরি করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। প্রতীকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে মমতা সোজা যান সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দপ্তরে। সেখানেও ইডির তল্লাশি অভিযান চলছিল। সেখান পৌঁছে আইপ্যাকের দপ্তর থেকে কিছু নথি, মোবাইল এবং ল্যাপটপ নিজের গাড়িতে তোলেন মমতা। ইডির পাল্টা দাবি, সাংবিধানিক ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেই তল্লাশি অভিযানে বাধা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। জোর করে নথি, ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ ছিনতাই করেছেন তিনি।
