সুব্রত বিশ্বাস: স্ত্রী আলিপুর আদালতের আইনজীবী। আর তাঁরই স্বামী কিনা পাকা চোর! শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনাটি একদম সত্যি। শুধু তাই নয়, আগেও বেশ কয়েকবার চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে যাওয়া ব্যক্তি ফের একবার যেতে চলেছে শ্রীঘরে। দীনেশ আগরওয়াল নামে ওই ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করে হেয়ার স্ট্রিট থানার হেপাজতে পাঠানো হয়েছে।
[সস্তায় ২০ হাজারে বাইক কিনেছেন? ঠিকানা হতে পারে শ্রীঘর]
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই এই কুকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিল ওই ব্যক্তি। তার টার্গেট থাকত যাত্রীদের দামী ল্যাপটপ। বড় বড় রেল স্টেশন ও রিজার্ভেশন কাউন্টারই ছিল তার বিচরণ ক্ষেত্র। এর আগে চুরি করতে গিয়ে ধরাও পড়েছে অনেক বার। ছাড়া পেয়ে আবারও ফিরে এসেছে পুরনো পেশায়। এদিনও একই কাজে বেরিয়েছিল সে। কিন্তু কথায় আছে, চোরের দশদিন তো গৃহস্থের একদিন। শেষপর্যন্ত নিউ কয়লাঘাট রেলের টিকিট রিজার্ভেশন কাউন্টার থেকে এক যাত্রীর ল্যাপটপের ব্যাগ চুরি করতে গিয়েই দীনেশ ধরা পড়ে যায় আরপিএফের হাতে। ঘটনা প্রসঙ্গে কয়লাঘাটের আরপিএফের ইন্সপেক্টর হরেন্দ্রনাথ দুবে জানিয়েছেন, লালবাজারে এই দুষ্কৃতীর নামে আগে দায়ের করা ১৬টি অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, স্ত্রী আবার আলিপুর আদালতের আইনজীবী। রাজারহাট তাদের নিজস্ব ফ্ল্যাট রয়েছে। তা সত্ত্বেও দিনের পর দিন করে চলেছে এই ঘৃণ্য কাজ। রেলপুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতকে হেয়ার স্ট্রিট থানার হেপাজতে পাঠানো হয়েছে।
[তরুণীকে গণধর্ষণ করে খুনের চেষ্টা, গড়বেতায় ধৃত ৩]
এদিকে, অপর একটি ঘটনায় বুধবারই মোবাইল চুরি করতে গিয়ে রেলপুলিশের হাতে ধরা পড়ে তিন দুস্কৃতী। ধৃতদের নাম মহম্মদ সাহাবুদ্দিন, সওকৎ আলি এবং মহম্মদ সামিম। আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন, ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি ফোন উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে একটি ফোন যাত্রী সন্তুকুমার মাঝির। শিয়ালদহগামী পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসে ওই যাত্রীর মোবাইল ছিনতাই করে চলন্ত ট্রেন থেকেই নৈহাটিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তিনজন। এছাড়া অন্য দু’টি ফোন হাওড়া-বর্ধমান লোকাল থেকে তারা ছিনতাই করেছিল। অন্যদিকে, মালদহ ইন্টারসিটি ও বালি থেকে ১৬জন হকারকে এদিন গ্রেপ্তার করেছে আরপিএফের সিআইবির হাওড়া বিভাগ।
[রাজ্যে ফের ভুয়ো চিকিৎসকের হদিশ, হলদিয়ায় গ্রেপ্তার ১]
The post আইনজীবীর স্বামী পাকা চোর, টার্গেট রেলযাত্রীদের ল্যাপটপ appeared first on Sangbad Pratidin.
