দক্ষিণ কলকাতার বেহালা বিমানবন্দর ফের চালু করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। সেজন্য কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। দিল্লিতে এদিন এই বৈঠক হয়। বেহালা বিমানবন্দর চালুর জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর লেখা বিশেষ চিঠিও এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দিয়েছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী।
চিঠিতে জানানো হয়েছে, বেহালা বিমানবন্দরের ৯১৫ মিটার রানওয়ে এটিআর ৭২ বিমান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স এবং চার্টার্ড ফ্লাইট চালানোর জন্য সম্পূর্ণ উপযুক্ত। সম্প্রতি ড্রোন সার্ভে করা হয়েছিল ওই এলাকায়। দেখা গিয়েছে, বিমানবন্দরের হাতে মোট ২১৫.৫৮ একর জমি রয়েছে। সেটি গোপালপুর, বেহালা ও পোরুই মৌজায় বিস্তৃত। বেহালা বিমানবন্দর চালু হলে কলকাতা বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমবে। পাশাপাশি কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার শিল্পায়ন, আঞ্চলিক যোগাযোগ, মেডিক্যাল ইভাকুয়েশন এবং দক্ষিণবঙ্গে পর্যটন ও ব্যবসায় বড় গতি আসবে।
পালাবদলের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে রাজ্যের উন্নয়নের বার্তা দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তৃণমূলের শাসনকালে বাংলার উন্নয়ন হয়নি। এবার সেই উন্নয়নে গতি আসবে। ডবল ইঞ্জিন সরকারের সৌজন্য রাজ্যের পাহাড় থেকে সাগর কর্মযজ্ঞ ও উন্নয়ন হবে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার ছোট ছোট বিমানবন্দরগুলিকে চালু করার বিষয়েও বার্তা দেওয়া হয়। দমদম বিমানবন্দর ও উত্তরে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উপর যাত্রীদের নিত্য চাপ থাকে। উত্তরবঙ্গে কোচবিহার, মালদহ বিমানবন্দরের ছবি থাকলেও পরিকাঠামো নেই। বেহালা বিমানবন্দরের পরিস্থিতিও তেমনই।
বেহালার এই বিমানবন্দর চালু চলে দক্ষিণের অংশের মানুষজনের সুবিধা হবে। ছোট বিমান বেহালা থেকে ওঠানামাও করতে পারবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। দুর্গাপুরের অণ্ডাল বিমানবন্দরের মানও আরও উন্নত করতে আগ্রহী রাজ্য সরকার।
