খাস কলকাতায় (Kolkata) রহস্যজনকভাবে খুন তরুণী! প্রাথমিকভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যু (Death) বলে মনে হলেও, ময়নাতদন্তেই ঘুড়ল মোড়! তরুণীকে শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। কে বা কারা, কেন খুন করল তা নিয়ে ধোঁয়াশা। প্রেমঘটিত কারণে এই পরিণতি না কি, পিছনে অন্য কোনও কারণ তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ।
মৃত তরুণীর নাম পুষ্পা কুমারী। বয়স ২২ বছর। তিনি নারকেলডাঙা থানা এলাকার ১৮/এইচ/৯ শিবতলা লেনের বাসিন্দা। ১৪ তারিখ দুপুর আনুমানিক ৩টে নাগাদ তরুণীকে নীলরতন মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে আসে তাঁর বাবা রাজ নারায়ণ শাহ। সেই সময় তরুণীরর গলায় একটি দাগ ছিল। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
জানা যায়, ১৪ তারিখ দুপুরে পুষ্পার বাবা রাজ নারায়ণ শাহকে তাঁর প্রতিবেশী কমল সিং ফোন করে জানান, পুষ্পা নিজের বিছানায় অচৈতন্যভাবে পড়ে রয়েছেন। তাঁর কোনও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়িতে ছুটে যান রাজ। তরুণীকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে।
পরদিন ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া। ততক্ষণ পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। ১৫ তারিখ সন্ধ্যা বেলায় তরুণীর এক প্রতিবেশী বিজন্তী দেবী একটি অভিযোগ করেন। মামালও দায়ের করা হয়। এদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসতেই ঘটনার মোড় ঘুরে যায়। জানা যায়, তরুণীকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।
কিন্তু কে, কেন খুন করল তা নিয়ে ঘনিয়েছে রহস্য। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে কেউ এসেছিল তরুণীর ঘরে? প্রেমঘটিত সমস্যার জেরে খুন? জানতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ, তরুণী মোবাইল ফোন, পুষ্পা শেষবার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সব কিছু খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে প্রতিবেশীদেরও।
