shono
Advertisement
Kolkata Police

ডার্ক ওয়েবে জেহাদের মাকড়শা! এআই যুগে প্রশ্নের মুখে জাতীয় সুরক্ষা, শুভেন্দুর উদ্যোগে 'স্মার্ট' বাংলার পুলিশ

ডার্ক ওয়েব এই মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ তদন্তকারীদের সামনে। কারণ ডার্ক ওয়েবকে ব্যবহার করেই বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের জাল বুনছে সন্ত্রাসবাদীরা।
Published By: Kousik SinhaPosted: 07:19 PM Jun 17, 2026Updated: 07:50 PM Jun 17, 2026

সময় বদলাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে অপরাধের ধরনও। ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংগঠিত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ডার্ক ওয়েব এই মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ তদন্তকারীদের সামনে। কারণ ডার্ক ওয়েবকে ব্যবহার করেই বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের জাল বুনছে সন্ত্রাসবাদীরা। মাদক পাচার, নারী পাচার হোক কিংবা নজরদারি চালানোর ক্ষেত্রেও অপরাধীদের ভরসা ইন্টারনেটের এই অন্ধকার এই জগত। এরসঙ্গেই বড় চ্যালেঞ্জ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। আর তা সামাল দিতে প্রয়োজন পুলিশ-প্রশাসনেরও আধুনিকীকরণ। আর এক্ষেত্রে বড় উদ্যোগ শুভেন্দু অধিকারী সরকারের। রাষ্ট্রীয় রক্ষা ইউনিভার্সিটির সঙ্গে মউ স্বাক্ষরিত হল রাজ্য পুলিশের। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর পৌরহিত্যে এই মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

Advertisement

আইপিএস, ডব্লুপিএস, ইন্সস্পেক্টর, সাব ইনস্পেক্টররা এই প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেবেন। এমনকী পড়ুয়ারাও অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় রক্ষা ইউনিভার্সিটির মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম, ডার্ক ওয়েব, এআই, ফরেন্সিক সায়েন্স, বর্ডার ইন্টেলিজেন্স, নারী পাচার রোধ–সহ একাধিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এজন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির করা হবে। যেখানে আইপিএস, ডব্লুপিএস, ইন্সস্পেক্টর, সাব ইনস্পেক্টররা এই প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেবেন। এমনকী পড়ুয়ারাও অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামিদিনে সাইবার অপরাধ রুখতে কিংবা ডার্ক ওয়েব-সহ এআই সংক্রান্ত বিষয়ে এই সমস্ত পড়ুয়াদেরও কাজে লাগানো হবে।

কিন্তু কি এই ডার্কওয়েব?

একেবারেই আলাদা একটি নেটওয়ার্ক এই ডার্কওয়েব। যা সাধারণ গুগল কিংবা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মূলত ইন্টারনেটের একটি সম্পূর্ণ এনক্রিপ্টেড একটি নেটওয়ার্ক। এক্ষেত্রে একদিকে যেমন ইউজারের পরিচয় গোপন থাকে, তেমনই সঠিক অবস্থানও পাওয়া যায় না। আর এই ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেই ক্রমশ অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। গোটা বিশ্বজুড়ে যা ক্রমশ মাথাব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে। তথ্য বলছে, কোনও দেশের উপর নজরদারি চালাতেও এখন ডার্ক ওয়েবকে ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যে কোনও মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যও খুব সহজেই পাওয়া সম্ভব হয় এই অন্ধকার দুনিয়ায়। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্নের মুখে দেশের জাতীয় সুরক্ষা। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশকে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তার আধুনিকরণ প্রয়োজন ছিল। তৃণমূল সরকারের আমলে পুলিশের বিরুদ্ধে বারবার শাসক শিবিরের দলদাসের মতো কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। আধিকারিকদের মেধাকে সেভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেই অভিযোগ। এমনকী পুলিশকে টেবিলের নিচে লুকোতেও দেখা গিয়েছে! আর তা সামাল দিতে পুলিশের আধুনিকীকরণ প্রয়োজন ছিল। আর সেই কারণেই রাষ্ট্রীয় রক্ষা ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এই মউ সাক্ষর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement