Advertisement

কসবা ভুয়ো টিকা কাণ্ড: বিক্ষোভ বামেদের, পুলিশের সঙ্গে বচসা-ধস্তাধস্তিতে উত্তাল পুরসভা চত্বর

02:42 PM Jun 28, 2021 |
Advertisement
Advertisement

কৃষ্ণকুমার দাস: কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের (Kasba Fake Vaccine Case) প্রতিবাদে বামেদের বিক্ষোভ ঘিরে কলকাতা পুরসভার সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন তাঁরা। তাতেই পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বাম কর্মী-সমর্থকরা। গ্রেপ্তার বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, এলিট সিনেমা হলের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল বামেদের। সেখানেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। তবে সেই বাধা উপেক্ষা করে কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) দিকে এগোতে থাকেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই বাধা দেয় পুলিশ। তার ফলে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বাম (Left Front) কর্মী-সমর্থকরা। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, পুরসভার ভিতরে ঢুকে কমিশনারের হাতে স্মারকলিপি জমা দেবেন। তবে দাবিপূরণ না হওয়ায় কলকাতা পুরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে শামিল বাম কর্মী-সমর্থকরা। খবর পাওয়মাত্রই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভ হঠানোর চেষ্টা করে। তবে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবিতে অনড়। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, আগাম অনুমতি না থাকায় বাম কর্মী-সমর্থকদের স্মারকলিপি জমা দিতে পুরসভার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া সম্ভব নয়। কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্যভবনের সামনেও বিক্ষোভ দেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। 

[আরও পড়ুন: Narada Case: শিরোধার্য সুপ্রিম নির্দেশ, হলফনামা গ্রহণের জন্য হাই কোর্টে ফের আবেদন মমতার]

উল্লেখ্য, বেশ কয়েকদিন ধরে কসবার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে করোনার ভুয়ো টিকাকরণের শিবির চালাচ্ছিল দেবাঞ্জন দেব (Debanjan Deb)। ওই ভুয়ো ক্যাম্প থেকেই ভ্যাকসিন নেন যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। ভ্যাকসিন নেওয়ার দীর্ঘক্ষণ পরেও কোনও মেসেজ না পাওয়ায় সন্দেহ হয় তাঁর। কলকাতা পুরসভায় অভিযোগ জানান। তাতেই দেবাঞ্জনের ‘কীর্তি’ সামনে আসে। জানা যায়, নিজেকে IAS অফিসার পরিচয় দিয়ে একাধিক জালিয়াতির জাল বিস্তার করেছে সে। কলকাতা পুরসভার নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলা-সহ একাধিক আর্থিক জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত দেবাঞ্জন। ইতিমধ্যে দেবাঞ্জনের সঙ্গে একই ফ্রেমে দেখা গিয়েছে রাজ্যের একাধিক নেতা-মন্ত্রীকে। আর তার ফলে ঘটনায় লেগেছে রাজনীতির রং। বিরোধিতায় সরব বাম, বিজেপি (BJP) সকলে। ঘটনার সিবিআই (CBI) তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি। পথে নেমে আন্দোলনে শামিল বামেরা।

[আরও পড়ুন: দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা, বরাতজোরে বাঁচল অসমের নাবালক]

Advertisement
Next