এসআইআর হয়রানি ও যড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ৬ তারিখ থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে সাময়িক স্বস্তি। তার পরিপ্রেক্ষিতে ধরনামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় জানালেন, শীর্ষ আদালত জানিয়েছে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত নাম তোলার সুযোগ থাকছে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই। সেই পর্যবেক্ষণে আস্থা রেখেই সাময়িকভাবে ধরনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মমতা। বললেন, "এবার আমরা বিচারের অপেক্ষায়। মানুষ অধিকার পাবেন। যে দরজাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেটা খুলছে।"
মমতা বলেন, "নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেও সুপ্রিম কোর্টের হাতে মামলা থাকবে। আমার পিটিশনটি এখনও আছে। নির্বাচন ঘোষণা করে দিলেও ভাববেন না যে আপনার নাম তোলার সুযোগ নেই। ওরা বলেছেন, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যদি কারও নাম বাদ গিয়ে থাকে, আমাদের কাছে আসবেন। আমরা স্পেশাল কেস হিসাবে এটি দেখব।"
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ছিল এসআইআর মামলার শুনানি। এদিন আদালত ঠিক কী জানিয়েছে ধরনামঞ্চ থেকে তা আমজনতার সামনে তুলে ধরেন মমতা। বলেন, "নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেও সুপ্রিম কোর্টের হাতে মামলা থাকবে। আমার পিটিশনটি এখনও আছে। নির্বাচন ঘোষণা করে দিলেও ভাববেন না যে আপনার নাম তোলার সুযোগ নেই। ওরা বলেছেন, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যদি কারও নাম বাদ গিয়ে থাকে, আমাদের কাছে আসবেন। আমরা স্পেশাল কেস হিসাবে এটি দেখব।" এরপরই গ্যাসের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্র ও কমিশনকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, "ইচ্ছাকৃত ভাবে নির্বাচন পিছোনোর জন্য চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্ট শুধু আবেদন করার জায়গা নেই।"
এরপরই সাময়িকভাবে ধরনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মমতা। তিনি বলেন, "এবার আমরা বিচারের অপেক্ষায়। মানুষ অধিকার পাবেন। যে দরজাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেটা খুলছে। এবার দেখা যাক কী হয়।" মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চ থেকে জানালেন, এখন প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন তিনি। সবশেষে আমজনতাকে নিশ্চিতে থাকার কথাই বললেন মমতা।
