এসআইআরে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগে ধরনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ধরনা মঞ্চের পঞ্চম দিনে রং-তুলিতে প্রতিবাদের সুর চড়ালেন তিনি। ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুললেন 'ভ্যানিশ কুমার'কে। বলে রাখা ভালো, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে 'ভ্যানিশ কুমার' বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
ছবি নিয়ে মমতা বলেন, "এই ছবিটা প্রতীকী। আমাদের শিল্পীরা আঁকছেন। এসআইআরে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, মানে সমস্ত ডেডবডিগুলি ভ্যানিশ করে দিয়েছে, সেজন্য পাশে দুটো মালা রাখা, যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য দিয়ে মালাগুলি রাখা আছে। এটা প্রতীকী।"
ছবি আঁকার পর মমতা বলেন, "এই ছবিটা প্রতীকী। আমাদের শিল্পীরা আঁকছেন। এসআইআরে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, মানে সমস্ত ডেডবডিগুলি ভ্যানিশ করে দিয়েছে, সেজন্য পাশে দুটো মালা রাখা, যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য দিয়ে মালাগুলি রাখা আছে। এটা প্রতীকী। অন্য কিছু নয়।"
কেন ভোটের মাত্র কয়েকমাস আগে এসআইআর করা হল বাংলায়, তা নিয়ে প্রথম থেকেই সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর পর একাধিক সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। কিন্তু একটি চিঠির উত্তর মেলেনি বলেই অভিযোগ। তা নিয়ে বহুবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে এসআইআরে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিল্লিতে কমিশনের দপ্তরে যান মমতা ও অভিষেক। সেই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমার দুর্ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন। বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনারের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে প্রবল বিরক্তি প্রকাশ করেন মমতা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ইস্যু উঠতেই তিনি বললেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সকলের বাক স্বাধীনতা আছে। রাজনৈতিক দল কিছু বলতেই পারে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিই না।” অর্থাৎ বুঝিয়ে দিলেন এসবকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না তিনি।
