দুপুরে শহরজুড়ে তুমুল ঝড়বৃষ্টির মাঝে মিলল প্রাণহানির দুঃসংবাদ। বাবুঘাটে (Babughat) চক্ররেলের ওভারহেড তারে গাছ পড়ে আগুন লেগে যায়। তাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। তবে এখনও তাঁর নাম, পরিচয় জানা যায়নি। তীব্র গরমের পর এই বৃষ্টি স্বস্তি দিলেও প্রাণহানির ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। শুক্রবারের দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনায় বাবুঘাটে চক্ররেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ। রেললাইন থেকে মৃতদেহ সরানোর কাজ করছেন রেল আধিকারিকরা।
এদিন সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটা ঘটে গেল বাবুঘাটে। এদিন দুপুরে ঝড়বৃষ্টির মাঝেই আম কুড়োতে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। সেসময় ওই আমগাছের ডাল ভেঙে পড়ে চক্ররেলের ওভারহেডের তারের উপর। সঙ্গে সঙ্গে দাউদাউ আগুন জ্বলে যায়। তাতে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির।
বাবুঘাটে চক্ররেলের ওভারহেড তারে গাছ পড়ে মৃত্যু ব্যক্তির। ছবি: সুখময় সেন
শুক্রবার দুপুরে আকাশ কালো করে ঘণ্টা প্রায় ৭০ কিলোমিটার ঝড়ের দাপটে কার্যত তছনছ হয়েছে তিলোত্তমা। জায়গায় জায়গায় গাছ পড়ে বন্ধ রাস্তাঘাট। কিছুক্ষণের বৃষ্টিতেই রাস্তায় জমেছে জল। তবে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছে গণপরিবহণ। ঝড়ের তাণ্ডবে মধ্যমগ্রাম স্টেশনে ওভারহেডের তার ছিঁড়ে আপাতত শিয়ালদহ-বারাসত শাখায় বন্ধ ট্রেন চলাচল। এছাড়া শিয়ালদহ-ক্যানিং শাখাতেও রেল পরিষেবা ব্যাহত হয়। তবে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটা ঘটে গেল বাবুঘাটে। এদিন দুপুরে ঝড়বৃষ্টির মাঝেই আম কুড়োতে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। সেসময় ওই আমগাছের ডাল ভেঙে পড়ে চক্ররেলের ওভারহেডের তারের উপর। সঙ্গে সঙ্গে দাউদাউ আগুন জ্বলে যায়। তাতে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির।
মৃত্যুর খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যান রেলের আধিকারিকরা। গাছপালা সরিয়ে মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ শুরু হয়। ঝড়বৃষ্টিতে চক্ররেলপথের বিভিন্ন জায়গায় গাছ পড়েছে। সেই কারণে আপাতত চক্ররেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কখন তা স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানাতে পারেনি রেল কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, অফিসপাড়া অর্থাৎ বিবাদী বাগ চত্বর থেকে এই চক্ররেলে চড়েই অনেকে শহরের বিভিন্ন জায়গা অথবা শহরতলির বাড়িতে ফেরেন। এভাবে বিকেল অর্থাৎ অফিস ছুটির সময় চক্ররেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁরা বিপাকে পড়েছেন।
