সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গঙ্গার ঘাটে রহস্যজনভাবে উদ্ধার হল তরুণীর মৃতদেহ৷ দেহটিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ কারণ, মনে করা হচ্ছে কিছুদিন আগে নিখোঁজ হওয়া তরুণী সুস্মিতা রায়ের দেহ এটি৷ অন্তত সুস্মিতার বন্ধুদের দাবি তেমনটাই৷ তবে এখনই এ বিষয়ে সিলমোহর দিতে নারাজ পুলিশ৷
[শহরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ভিন রাজ্যের তরুণী]
পুলিশ সূত্রে খবর, দেহটি উদ্ধার হওয়ার পর কালিঘাট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে উত্তর বন্দর থানা। তারপরই সুস্মিতার দুই বন্ধুকে নিয়ে দেহ সনাক্ত করতে পৌঁছন গোয়েন্দারা। মৃতদেহের পোশাক, জুতো ও হাতের দাগ দেখে দেহটি সুস্মিতার বলে সনাক্ত করে তারা। তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সুস্মিতার মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধর্মতলায় পাওয়া যায়। তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে জেরা করা হচ্ছে। তাঁদের কললিস্টে সুস্মিতার ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছেন তরুণীর পরিবার। তাঁর বাবা অভিযোগ জানান, অপহরণ করে খুন করা হয়েছে তাঁর মেয়েকে। যদিও আত্মহত্যার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা। সব মিলিয়ে আরও জটিল হয়ে গিয়েছে সুস্মিতার মৃত্যুরহস্য।
চলতি মাসের ১০ তারিখ কলকাতা থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যান বছর চব্বিশের সুস্মিতা রায়। পুলিশ সূত্রে খবর, পার্ক স্ট্রিটের একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে বিমানসেবিকা হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ঘাটশিলার বাসিন্দা ওই তরুণী। ঈশ্বর গাঙ্গুলি স্ট্রিটের একটি বাড়িতে পেয়িং গেস্ট থাকতেন নিখোঁজ সুস্মিতা। সাধারণত প্রশিক্ষণের পর ভাড়া বাড়িতে ফিরে আসতেন তিনি। তবে গত রবিবার রাত তিনি ফেরেননি। এমনকি তারপর থেকে বাবা-মার সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভাড়া বাড়ির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনও সদুত্তর মেলেনি। ফলে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই তরুণীর বাবা। কালিঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভাড়া বাড়ির মালিক ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু মিলে সুস্মিতাকে অপহরণ করেছে।
[গড়িয়াহাটে অভিজাত আবাসনে মধুচক্রের আসর, পুলিশের জালে ১১]
The post ঘাটশিলার নিখোঁজ তরুণীর দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ পরিবারের appeared first on Sangbad Pratidin.
