রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগ সামনে এসেছে। শিরোনামে উঠে এসেছে বিজেপি কর্মীদের মৃত্যুও। তবে তৃণমূলের অভিযোগ, বেছে বেছে তাদের নেতা-কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছে। এমনকী বিভিন্ন তৃণমূল পার্টি অফিসগুলিকেও টার্গেট করা হচ্ছে বলে দাবি। এই অভিযোগে আরও একটি নতুন মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টে। আজ, মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। মামলার গুরুত্ব বুঝে কলকাতা হাই কোর্ট দ্রুত শুনানির আবেদন মঞ্জুর করেছে বলে জানা যাচ্ছে।
আজ, মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তৃণমূলপন্থী আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। মামলার গুরুত্ব বুঝে কলকাতা হাই কোর্ট দ্রুত শুনানির আবেদন মঞ্জুর করছে বলে জানা যাচ্ছে।
আদালতে আবেদনকারী আইনজীবীর দাবি, গত ৪ মে বঙ্গ বিধানসভার ফল ঘোষণা হয়েছে। এরপর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। আবেদনে আইনজীবী বেশ কিছু তথ্যও তুলে ধরেছেন। যেখানে দাবি করা হয়েছে, ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে প্রায় ২০০০ তৃণমূল কর্মী হেনস্তার শিকার হয়েছেন। অন্তত ৩৬৫টি তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রাণের ভয়ে বহু কর্মী সমর্থক গৃহহীন রয়েছেন বলেও হাই কোর্টে দাবি আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই বিষয়ে দ্রুত আদালত যাতে হস্তক্ষেপ করে সেই আবেদন জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে একের পর এক ঘটনায় নিরপেক্ষ কোনও তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের আর্জিও জানানো হয়েছে।
আদালত সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত মামলা ফাইল হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হতে পারে।
