গ্রামে পঞ্চায়েত কর বৃদ্ধি নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই জল্পনা ছিল, সেই খবর ভুয়ো বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। পরিবার পিছু পঞ্চায়েত কর বাড়িয়ে ১২০০ টাকা করা হয়েছে বলে যে খবর রটেছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি সরকারের। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, সরকারের তরফে এমন কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।
জানা গেছে, ষোড়শ অর্থ কমিশনের দেওয়া সুপারিশ মেনে একটি এসওপি নির্দেশিকা জারি করেছিল দপ্তর। সেই নির্দেশিকাকে ভুল ব্যাখ্যা করে এক শ্রেণির মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় রটিয়ে দেয় যে, করের পরিমাণ বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ১,২০০ টাকা করা হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে আসতেই পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাজ্য সরকারের বার্তায় স্পষ্ট, পূর্বের নিয়মেই গ্রামীণ এলাকায় আগের নিয়মেই পঞ্চায়েত কর আদায় প্রক্রিয়া চালু থাকবে। কোনও বাড়তি করের বোঝা সাধারণ মানুষের উপর চাপানো হচ্ছে না। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একদল অসাধু চক্র ভুল তথ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
জানা গেছে, ষোড়শ অর্থ কমিশনের দেওয়া সুপারিশ মেনে একটি এসওপি নির্দেশিকা জারি করেছিল দপ্তর। সেই নির্দেশিকাকে ভুল ব্যাখ্যা করে এক শ্রেণির মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় রটিয়ে দেয় যে, করের পরিমাণ বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ১,২০০ টাকা করা হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে আসতেই পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগে যে নিয়মগুলি কার্যকর ছিল, সেগুলি এখনও বলবৎ হয়নি। কোনওরকম পরিবর্তন ছাড়াই তা বাস্তবায়িত হয়নি। দপ্তরের তরফে মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে, কেউ যেন মিথ্যে প্রচারে কান না দেন। সরকারি অনুমোদন ছাড়া কেউ যদি কর বৃদ্ধির দাবি করেন, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। আপাতত পুরনো নিয়মেই সমস্ত পঞ্চায়েতে কাজ চলবে।
