ফুটপাথে দুধ গরমের 'অপরাধে' শিরোনামে উঠে এসেছিলেন সীতা ওরফে রশিদা। জল গড়িয়েছিল অনেক দূর। প্রশাসনের তরফে তাঁদের সরকারি আশ্রয়ে রাখার ব্যবস্থা করলেও আচমকা উধাও হয়ে যান সীতা। যদিও পরবর্তীকালে হদিশ মিলেছিল তাঁর। শুক্রবার সকালে জানা গেল, পছন্দের এলাকায় সীতা ও তাঁর নাতি-মেয়েদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, সংসারের হাল ফেরাতে সীতার জন্য একটি ছোট কাজের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার থেকে পুরসভা ও পুলিশ যৌথভাবে চেষ্টা করেও ফুটপাতবাসী সীতা ও তাঁর ছোট দুই মেয়েকে সরকারি আশ্রয়স্থলে থাকতে রাজি করাতে পারেনি। বেলেঘাটা ও রামমোহন রায় রোডের দুটি আশ্রয়ে নিয়ে গেলেও তিনি থাকতে চাননি বলেই দাবি। যদিও সীতার এক মেয়ে, পূজা পুরসভার এই ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট হয়ে সরকারি আশ্রয়ে থেকে গিয়েছেন। এরপর বিধায়ক সজল ঘোষ জানান, “নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন সীতা ও দুই মেয়ে। দলের কর্মীদের বাড়িতে আছেন।” শুক্রবার সকালে জানা গেল, গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় তাঁদের জন্য বাড়ির খোঁজ করা হচ্ছিল। কিন্তু তা সীতাদেবীর পছন্দ হচ্ছিল না। ফলে তাঁদের সাময়িকভাবে রাখা হয়েছিল হোটেলে। অবশেষে সীতার পছন্দের এলাকায় মিলেছে ঘর। বর্তমানে নাতি ও মেয়েদের নিয়ে সেই ঠিকানায় রয়েছেন সীতা।
জানা গিয়েছে, সীতাদেবীর জন্য একটি হোটেলে কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাফাইয়ের কাজ করবেন তিনি। এদিন সীতাদেবী, তাঁর মেয়ে ও নাতিকে সঙ্গে নিয়ে একটি ভিডিও করেন ২ বিজেপি নেতা। সেখানেই তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা জানানো হয়। ওই বিজেপি নেতাদের কথায়, "শুভেন্দু দা বারবার ওনাদের খোঁজ নিয়েছেন, অগ্নিমিত্রা দি খোঁজ নিয়েছেন। ওনারা ভালো আছেন। সরকার ওনাদের পাশে আছে।" মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতায় রাতারাতি জীবন বদলে যাওয়ায় খুশি সীতা। শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
