সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার সন্ধেয় চাঁদকে কি একটু বেশিই বড় লাগছিল? দেখে একটু অবাকই হয়েছিলেন? ভুল ভাবেননি। কারণ রবি সন্ধেয় আপনি সাক্ষী রইলেন সুপারমুন-এর। এদিন পৃথিবীর একটু বেশিই কাছে চলে এসেছিল চাঁদ। যার কারণে আগের তুলনায় একটু বেশিই উজ্জ্বল হয়ে দেখা দিল সেটি।
এদিন প্রায় ১৪ শতাংশ বড় দেখিয়েছে চাঁদকে। হয়েছিল ৩০ শতাংশ বেশি উজ্জ্বল। খোলা চোখেই এমন অপরূপ ‘বড়’ চাঁদের সাক্ষী থাকলেন কলকাতাবাসীও। অনেকেই স্মার্টফোনে সেই ছবি ক্যামেরাবন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন। বিশেষ একটি নামও দেওয়া হয়েছে রবিবারের এই চাঁদকে। শীতের রাতের এই আশ্চর্যকে উৎসাহীরা ডাকছেন ‘ফুল কোল্ড মুন’ বলে। গত বছরের ডিসেম্বরে শেষবার সুপারমুন দেখা গিয়েছিল পৃথিবীর আকাশে। কিন্তু সকলে মনে রেখেছেন নভেম্বরের ‘স্পেশ্যাল’ সুপারমুনকে। কারণ ১৯৪৮ সালের পর সেই প্রথমবার চাঁদ পৃথিবীর এতটা কাছে এসেছিল। আবার এমন সুপারমুন দেখা যাবে ২০৩৪ সালে।
[ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে ইসরো, জোরকদমে চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি]
কিন্তু কেন হয় সুপারমুন? সুপারমুন কথাটির জ্যোতিষশাস্ত্রে কোথাও উল্লেখ নেই। এই কথাটি আসে ১৯৭৯ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী রিচার্ড নোলের মাধ্যমে। পৃথিবী ও চাঁদের মাঝে ৩,৬০,০০০ কিলোমিটারের কম দূরত্ব হলে সুপারমুন দেখা যায়। বেশিরভাগ শীতকালেই এমনটা হয়। মনে করা হয় এই সময় পৃথিবীর ও সূর্যের মাঝের ব্যবধান কমে যায়। যার ফলে চাঁদ-সূর্যের গ্র্যাভিটি চাঁদকেও পৃথিবীর একটু কাছে টেনে আনে। এই জন্যই পৃথিবী থেকে চাঁদকে এতটা বড় দেখায়।
ছবি সৌজন্যে: পিন্টু প্রধান।
[জানেন, এটিএম থেকে টাকা না বেরলে প্রতিদিন ১০০ টাকা পেতে পারেন আপনি?]
The post বছরের শেষ ‘সুপারমুন’-এর সাক্ষী থাকলেন শহরবাসী appeared first on Sangbad Pratidin.
