অসুরক্ষিত আন্তর্জাতিক সীমান্তের কারণে রাজ্যের জনবিন্যাস অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এই আবহে জনগণনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার সেই সুরই শোনা গেল রাজ্যপাল আর এন রবির (R N Ravi) বক্তব্যে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে বিধানসভায় শুরু হল বিজেপির প্রথম বাজেট অধিবেশন। সেই বক্তব্যে রাজ্যের নবগঠিত বিজেপি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায়। তবে অনুপ্রবেশের কারণে যে বাংলার জনবিন্যাস বদলেছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল রবি।
অনুপ্রবেশের জন্য জনবিন্যাস পালটে যাচ্ছে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির! জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি হয়েছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ! বঙ্গপ্রচারে এসে বারবার এই ইস্যুতে সুর চড়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এমনকী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যেও বারবার উঠে এসেছে অনুপ্রবেশের কথা।
এদিন বিধানসভায় রাজ্যপাল জানান, অনুপ্রবেশের কারণে জনবিন্যাস ক্রমশ বদলেছে। যদিও অনুপ্রবেশ রুখতে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যপাল রবি বলেন, ''সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। এজন্য জমিও বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।'' শুধু তাই নয়, সীমান্ত এলাকায় নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। রাজ্যপালের কথায়, রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাই অগ্রাধিকার। পাশাপাশি জনগণনা যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাও এদিন রাজ্যপাল আর এন রবির বক্তব্যে উঠে আসে।
উল্লেখ্য, অনুপ্রবেশের জন্য জনবিন্যাস পালটে যাচ্ছে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির! জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি হয়েছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ! বঙ্গপ্রচারে এসে বারবার এই ইস্যুতে সুর চড়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এমনকী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যেও বারবার উঠে এসেছে অনুপ্রবেশের কথা। তবে রাজ্যে পালাবদলের পরেই দ্রুত সীমান্ত এলাকা সিল করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পরেই সীমান্তে কাঁটাতার দিতে পর্যাপ্ত জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এখানেই শেষ নয়, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া আইন কার্যকর হয়েছে।
যেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশিদের আর আদালতে তোলা হবে না। সোজা বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে এবং বাংলাদেশে পুশ ব্যাক করা হবে। এরপরেই সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার ভিড় দেখা যায়। এই আবহেই আগামী ১ আগস্ট থেকে জনগণনার কাজ শুরু হচ্ছে। সেখানে দাঁড়িয়ে এদিন জনবিন্যাস বদল নিয়ে রাজ্যপালের মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
