ধর্মতলায় নিট আন্দোলনের নামে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে! সাংবাদিকদের উপর হামলা, মারধরের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ক্ষুব্ধ। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে এসএফআই নেতৃত্বকেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আইন আইনের পথে চলবে। কাল যা চোখে দেখে এসেছি, এদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইন প্রণয়ন করা উচিত। আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। মোবাইলে যে ছবি ধরা আছে, সেই ছবি যথেষ্ট দুষ্কৃতীদের ধরতে। বলেছে জুতো খুলে নে।" এসএফআই নেতৃত্বকেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি। বিরোধী দলনেতার কথায়, "আন্দোলনের ক্রেডিট নেব, আর গোলমাল হলে ডিসক্রেডিট আমার নয়, এটাই ওরা করে। যে ধরনের লাঠিতে পতাকা লাগানো হয়েছিল, সেগুলো মারধর করার।"
আন্দোলনের নামে লোকজন লুট করতেই এসেছিল, এই দাবি করেন তিনি। সুর চড়িয়ে ঋতব্রত বলেন, "এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় নেতা ছিলাম। উনিও ছিলেন। ওনার থেকে বেশিদিন ছিলাম। ভিডিওতে দেখলাম, সাংবাদিক মার খাচ্ছেন, সেটা দেখে উনি চলে যাচ্ছেন।" শমীক লাহিড়ীকেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি। ঋতব্রত বলেন, "শমীক লাহিড়ীর হাসি দেখে হতবাক। দিব্যি হাসলেন তারপর নিরাপদ দূরত্বে চলে গেলেন।"
সেবাশ্রয় ক্যাম্প নিয়ে তদন্ত চাইছেন ঋতব্রতরা। তাঁর কথায়, "এর পিছনে কালো টাকা সাদা টাকা করা হচ্ছে কিনা সেটাও দেখতে হবে। সেবাশ্রয়ে প্রভাব কী ছিল, সেটাও দেখতে হবে। সেবাশ্রয়ে সীমাবদ্ধ নেই। লিখিতভাবে অভিযোগ জানাব তদন্তকারী সংস্থাকে।"
