shono
Advertisement

Breaking News

BJP

‘৯০ শতাংশ ভোটার সরে যেতে দ্বিধা করবে না’, বিজেপির ‘তৃণমূলীকরণে’ সতর্কবার্তা সংঘ মুখপত্রে

দলের নিচুতলায় দলে যে বেনোজল ঢুকছে, তা নিয়ে উদ্বেগের সুর শোনা গিয়েছে খোদ শমীকের গলায়। দলের তৃণমূলীকরণ-নিচুতলায় তোলাবাজি নিয়েও উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন তিনি। বিজেপি নেতাদের একাংশের মধ্যেও যে তৃণমূলের সংস্কৃতি ঢুকে পড়তে পারে, সে আশঙ্কা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে নেতৃত্বের মধ্যে।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 12:14 AM Sep 01, 2026Updated: 12:14 AM Sep 01, 2026

বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর দলের রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বার্তা দিয়েছিলেন, বিজেপির ‘তৃণমূলীকরণ’ তিনি হতে দেবেন না। কিন্তু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেই রাজ্যসভার টিকিট পান প্রাক্তন তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক। এরপর প্রশ্ন উঠতে করে। যদিও এই সিদ্ধান্ত যে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে বিজেপির ‘তৃণমূলীকরণ’ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। এই পরিস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরকে সতর্ক করল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর মুখপত্র ‘স্বস্তিকা’।

Advertisement

সম্প্রতি ‘স্বস্তিকা’য় প্রকাশিত একটি সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, “মানুষ বিজেপিকে ভরসা করে রাজ্যে ক্ষমতায় এনেছে। যদি ২ শতাংশ মানুষ বা ভোটারের ধারণা হয় যে বিজেপি ১৫ বছর ধরে রাজ্যে চলা তস্কর দলের অন্যপিঠ। ভিন্ন কিছু নয়। তাতে ৯০ শতাংশ ভোটার বিজেপির থেকে সরে যেতে দ্বিধা করবে না। মানুষের ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।” অন্যদিকে, রাজ্যের পুনর্গঠনে নতুন বিজেপি সরকারকে সতর্ক থাকরও পরামর্শ দিয়েছে সংঘ মুখপত্র। সম্পাদকীয়তে আরও লেখা হয়েছে, “পাঁচ দশক ধরে বিদেশি সিপিএম থেকে তস্কর সরকারের শাসনকালে সমাজবিরোধিতা আর তোলাবাজি সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছিল। যারা দুই কাজ একসঙ্গে করত তারা ছিল সেই সরকারের চোখের মণি। ওই জমানাতে তাই এমন কোনও নজির নেই যেখানে কোনও নেতা চরম দোষে চরম শাস্তি পেয়েছে বা তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফলে ধানতলা, বানতলা, নেতাই, নন্দীগ্রাম আর কেশপুর থেকে শুরু করে মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদ, সন্দেশখালি, আরজি করে অভয়াকাণ্ডে সকল অপরাধী কোনও না কোনওভাবে রেহাই পেয়ে গিয়েছে।”

সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, "বিজেপির সামনে এখন খোলা জমি। পনেরো বছরের তস্কর সরকার অনেকটাই ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গিয়েছে। বিদেশি বাম আর পাশ্চাত্যবাদী কংগ্রেস রাজনৈতিক ভাবে একেবারে নগণ্যে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপির বিরুদ্ধে এখন আর প্রায় ঘুরে দাঁড়ানোর কেউ নেই। কিন্তু মুশকিলটা অন্য দলের বাড়বাড়ন্তের নয়। জনগণের মুখোমুখি হওয়ার চাপ। তা যে কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের থেকে বহুগুণ বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্য রাজ্যে এমনটা যে নেই তা নয়।"

প্রসঙ্গত, দলের নিচুতলায় দলে যে বেনোজল ঢুকছে, তা নিয়ে উদ্বেগের সুর শোনা গিয়েছে খোদ শমীকের গলায়। দলের তৃণমূলীকরণ-নিচুতলায় তোলাবাজি নিয়েও উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন তিনি। বিজেপি নেতাদের একাংশের মধ্যেও যে তৃণমূলের সংস্কৃতি ঢুকে পড়তে পারে, সে আশঙ্কা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে নেতৃত্বের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছে দলের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সর্বস্তরে বদল করতে পারে গেরুয়া শিবির।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement