shono
Advertisement
BJP

বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!

শমীক বলেন, ''রাজ্যবাসী জামা বদলের জন্য ভোট দেননি, জামার ভিতরের মানুষটার বদল চেয়েছেন।''
Published By: Kousik SinhaPosted: 11:18 PM Aug 08, 2026Updated: 11:19 PM Aug 08, 2026

দলের মধ্যেই নিচুতলায় ‘তোলাবাজ’-দের চিহ্নিত করতে এবার রাজ্য বিজেপির তরফে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হল জেলার পর্যবেক্ষকদের। এমনটাই সূত্রের খবর। দলের মধ্যে তোলাবাজি-সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত, দল বিরোধী অনৈতিক কাজ যারা করছে তাদের খুঁজে বের করবেন পার্টির তরফে জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকরাই। দলের নিচুতলার বিচ্যুতি ঠেকাতে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে শীর্ষ নেতৃত্বকে। এটা ভালভাবে নিচ্ছে না বঙ্গ বিজেপি। শুধু তাই নয়, বিজেপি নেতা-কর্মীদের তোলাবাজি সামলাতে দলের জেলা সভাপতি ও সেই জেলার বিধায়কদের বড় ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে বলেও বার্তা দেওয়া হয়েছে রাজ্য পার্টির তরফে। অনেকক্ষেত্রেই জেলা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং বিধায়ক, এই তিনজনের একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় থাকছে না বলে খবর এসেছে রাজ্য পার্টির কাছে। সেই সমন্বয় রেখে দলকে বিশুদ্ধ করতে হবে বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে।

Advertisement

কোর কমিটির বৈঠকে দলের রাজনৈতিক অবস্থান এবং আগামী দিনে আন্দোলনের রূপরেখা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

এদিকে, নিচুতলায় বিচ্যুতি দেখলেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ফের একবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শুক্রবার রাতে কোর কমিটির পর শনিবারও সল্টলেক পার্টি অফিসে দীর্ঘক্ষণ সাংগঠনিক বৈঠক করেন শমীক। এরপর সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যবাসী জামা বদলের জন্য ভোট দেননি, জামার ভিতরের মানুষটার বদল চেয়েছেন। যেখানে বিচ্যুতি দেখা যাচ্ছে, সেখানে দলীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথম দিন থেকেই কঠোরভাবে এটাকে দমন করার চেষ্টা করছেন।’’

শমীকের কথায়, কোনও রাজনৈতিক দল এখনও তৈরি হয়নি যার সামান্যতম বিচ্যুতি নেই। এ প্রসঙ্গেই তিনি মনে করিয়ে দেন, তৃণমূল যে অত্যাচার করেছে ১৫ বছর ধরে তার যদি প্রতিক্রিয়া হত তাহলে অনেকেই ‘লিঞ্চিং’-এ (গণপিটুনি) মারা যেত। সেটা হয়নি। তৃণমূলের সমস্ত বিধায়ক, কাউন্সিলর, মন্ত্রীরা অক্ষত। বিজেপি সেই পথে হাঁটেনি। এছাড়াও, কোর কমিটির বৈঠকে দলের রাজনৈতিক অবস্থান এবং আগামী দিনে আন্দোলনের রূপরেখা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর। এছাড়াও আসন্ন পুর নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি, বুথ-ভিত্তিক শক্তি বৃদ্ধি, নির্বাচনী কৌশল এবং সম্ভাব্য ডিলিমিটেশন বা ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement