তৃণমূল আমলে রাজ্যে শিল্প, কর্মসংস্থান তলানিতে ঠেকেছিল। একলহমায় যেন কয়েকযুগ পিছিয়ে গিয়েছিল বাংলা। সেই ক্ষতি মেরামত সময়সাপেক্ষ নিঃসন্দেহে। কিন্তু বর্তমান রাজ্য সরকার কার্যত আলোর গতিতে তা করতে মরিয়া। বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট নয়, যত দ্রুত সম্ভব রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে জোয়ার আনতে যা যা পদক্ষেপ প্রয়োজন, তার সবকটিই নেওয়া হয়েছে। এবার শিল্প সংস্থাকে জমি দিতে নীতিতে আমূল বদল আনতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, ১৫ আগস্টের মধ্যে শিল্পনীতি, জমিনীতির প্রাথমিক খসড়া তৈরি হয়ে হবে। কী হবে চূড়ান্ত জমিনীতি? তা স্থির করতে আগামী মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট নবান্নে জরুরি বৈঠক ডাকলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। সমস্ত অংশীদারদের তাতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার কলকাতার এক প্রেক্ষাগৃহে শিল্প সংক্রান্ত একটি আলোচনাসভা ছিল। তাতে মূল বক্তা ছিলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। ছিলেন শিল্পপতি রাজীব সিং, কুলভূষণ আগরওয়াল, পার্থিব নেওটিয়ারা। এখানেই তাপস রায় ঘোষণা করেন, ‘‘১১ আগস্ট নবান্নে সব অংশীদারদের নিয়ে বৈঠক। রাজ্যের চূড়ান্ত জমিনীতি প্রকাশ্যে আনার আগে সকলের কাছে এই নিয়ে মতামত চাওয়া হবে। আপনাদের সবাইকে বৈঠকে স্বাগত।''
শনিবার কলকাতার এক প্রেক্ষাগৃহে শিল্প সংক্রান্ত একটি আলোচনাসভা ছিল। তাতে মূল বক্তা ছিলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। ছিলেন শিল্পপতি রাজীব সিং, কুলভূষণ আগরওয়াল, পার্থিব নেওটিয়ারা। এখানেই তাপস রায় ঘোষণা করেন, ‘‘১১ আগস্ট নবান্নে সব অংশীদারদের নিয়ে বৈঠক। রাজ্যের চূড়ান্ত জমিনীতি প্রকাশ্যে আনার আগে সকলের কাছে এই নিয়ে মতামত চাওয়া হবে। আপনাদের সবাইকে বৈঠকে স্বাগত।''
বিগত সরকারের আমলে কীভাবে শিল্প সম্ভাবনাকে তিলে তিলে নষ্ট করা হয়েছে, তা বলতে গিয়ে তাপস রায়ের বক্তব্য, ‘‘বাংলা এখন এগোনো শুরু করেছে। গত ১৫ বছর তো বটেই, তার আগের সরকারের ক্ষেত্রেও অবহেলা করা হয়েছে শিল্পক্ষেত্রকে। আমি একজন স্টার্ট আপ মন্ত্রী। আমার আগে যারা ছিল, তারা কিছুই রেখে যায়নি আমার জন্য। কোনও ল্যান্ডব্যাঙ্ক ছিল না, জমিনীতি ছিল না, এমনকী ইনসেনটিভ পলিসিও তুলে নেওয়া হয়েছিল। নো অবজেকশন সার্টিফিকেট পেতে ৯ থেকে ১০ দিন অপেক্ষা করতে হত। তাতেই কাজ করার ইচ্ছে চলে যেত। আগে টাটা বা কুমারমঙ্গলম বিড়লারা শুধু নয়, ৬৬৮৮ টি ছোট- বড় কোম্পানি বাংলা ছেড়ে গেছে। কারণ সবার জানা।''
বাংলায় বিনিয়োগে শিল্পপতিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘‘আধুনিক বাণিজ্য নীতি ইনসেনটিভের উপর নির্ভর করে। আপনারা নিয়োগকর্তা, আমরা কর্মী। আমরা বাংলার উন্নয়নে শরিকমাত্র। পরিকাঠামো ঠিক করতে হবে। সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম চালু করব। বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে মিৎসুবিশি। ইউরোপের সঙ্গে কথা চলছে। উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে সিন্ডিকেট চার্জ, তোলাবাজি নিয়েও ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এবং আমি আপনাদের সেবায় আছি। যে কোনও প্রয়োজনে আমাদের জানাবেন। যা করার করব।'' জমিনীতি চূড়ান্তভাবে স্থির করতে ১৫ আগস্ট ডেডলাইন স্থির করা হলেও, ১১ তারিখ এনিয়ে বৈঠক ডাকায় অনেকে মনে করছেন, সেই কাজে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।
