shono
Advertisement
Samik Bhattacharya

তোলা চাইলে জায়গা হবে জেলে, রেয়াত নয় সাংসদ-বিধায়কদেরও! কড়া বার্তা শমীকের

শমীক ভট্টাচার্য জানান, ৪ তারিখ দুপুর থেকে রাজ্যে কোনও সিন্ডিকেট নেই। তোলাবাজি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর পরেও যদি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কেউ তোলা চাইতে যায় তার স্থান হবে গরাদের ওপারে। 
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:56 PM May 30, 2026Updated: 05:13 PM May 30, 2026

ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলা চাইলে তার স্থান হবে জেলে। এক্ষেত্রে দলের সাংসদ বা বিধায়ক হলেও রেয়াত করা হবে না। বণিকসভার বৈঠকে সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, বিজেপির কোনও শ্রমিক ইউনিয়ন নেই। কারখানার গেটে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে আন্দোলন করলে রাজ্য দপ্তরে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর বার্তা, টাটাদের সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে রাজ্যের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে শিল্প মহলে। এই বদনাম ঘোচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

Advertisement

শমীক জানান, বিজেপির কোনও শ্রমিক ইউনিয়ন নেই। কারখানার গেটে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে আন্দোলন করলে রাজ্য দপ্তরে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।

রাজ্যে নয়া শিল্প করতে এলেই বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তোলা আদায় রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই অবস্থা থেকে রাজ্যকে বের করে আনতে কড়া দাওয়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের সভায় শমীক ভট্টাচার্য জানান, ৪ তারিখ দুপুর থেকে রাজ্যে কোনও সিন্ডিকেট নেই। তোলাবাজি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর পরেও যদি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কেউ তোলা চাইতে যায় তার স্থান হবে গরাদের ওপারে। 

পাশাপাশি, শিল্পের জন্য জমি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তিনি জানান, রাজ্যে সঠিক কোনও জমিনীতি নেই। নতুন করে জমিনীতি তৈরি করা হচ্ছে। এর জন্য প্রয়োজনে আইন সংশোধন করা হবে। জমির ঊর্ধ্বসীমা পরিবর্তন করা হবে। এ ছাড়াও শিল্পের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ও জমিতে ভরতুকি দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। রাজ্যে স্পেশাল ইকনমিক জোন-এর উপর যে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল তৃণমূল সরকার, তাও তুলে নেওয়া হবে। বাংলায় শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য বলে আশ্বস্ত করেন শমীক।

এদিনের সভায় ভাতা নিয়েও দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন। জানান, সরকারি ভাতা দিয়ে মানুষের জীবন চলতে পারে না। তাই প্রয়োজন কর্মসংস্থান। সেজন্য ভারী শিল্পের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি ইতিমধ্যেই বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগের জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে কথা বলেছেন। রাজ্যে বস্ত্রশিল্পে ব্যাপক বিনিয়োগ আসতে চলেছে বলে জানান শমীক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement