shono
Advertisement

Breaking News

Jadavpur University Clash

তফসিলি জাতিভুক্ত এবিভিপি নেতা নিখিলকে মারধর, কুকথা! রিপোর্ট চাইল এসসি কমিশন

বাম নেতা শতরূপ ঘোষের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন নিখিল।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 05:57 PM Sep 01, 2026Updated: 07:34 PM Sep 01, 2026

জিবি বৈঠককে কেন্দ্র করে সম্প্রতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University Clash)। এবিভিপির ইউনিট প্রেসিডেন্ট নিখিল দাস ও তাঁর সহযোগীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল বামপন্থী ও অতি বামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পরই এসসি কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নিখিল দাস। এবার রিপোর্ট তলব করল কমিশন। এদিকে সংবাদমাধ্যমে বসে ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচারের অভিযোগে বাম নেতা শতরূপ ঘোষের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন নিখিল।

Advertisement

১৯ আগস্ট বাম ছাত্র সংগঠনগুলির তরফে জিবি মিটিং ডাকা হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University)। তা নিয়েই এবিভিপি এবং বাম ছাত্র সংগঠনের মধ্যে অশান্তি বাঁধে। এবিভিপি’র সদস্যদের কথায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও ছাত্র ইউনিয়ন নেই। তা সত্ত্বেও জিবি-র মিটিং ডাকা হয় কীভাবে? এর প্রতিবাদ করাতেই ৭০ থেকে ৮০ জন তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ। দু’পক্ষের সংর্ঘষে রাতেই রণক্ষেত্রের আকার নেয় যাদবপুরের ক্যাম্পাস। জখম হন দু’পক্ষের পড়ুয়ারাই। এসএফআই, ডিএসও এবং অন্য বাম ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, এবিভিপির তরফেই প্রথম হামলা চালানো হয়। এমনকী বাইরে থেকে লোকজন এনেও তাঁদের উপর আক্রমণ চালানো হয়। তাঁদের মধ্যে স্থানীয় বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ নিখিল দাস ছিলেন বলে দাবি বামেদের। এখানেই শেষ নয়, তাঁদের আরও অভিযোগ, অরবিন্দ ভবনে পড়ুয়াদের আটকে রেখে বাইরে আগুন জ্বালিয়ে এবিভিপি। এদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপির ইউনিট প্রেসিডেন্ট তথা পিএইচডি গবেষক নিখিল দাস দাবি করেন, তাঁকে মারধরের পাশাপাশি তফশিলি হওয়ায় কুকথা বলা হয়।

১৯ তারিখের ঘটনা প্রসঙ্গে গত ২৩ তারিখ এসসি কমিশনের দ্বারস্থ হন নিখিল দাস। তাঁর অভিযোগ, মারধরের পাশাপাশি তপশিলি জাতিভুক্ত হওয়ায় তাঁকে আপত্তিকর কথা বলা হয়েছে। এদিন সোশাল মিডিয়ায় নথি পেশ করে তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। পাশাপাশি সেখানেই শতরূপের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার কথাও জানান তিনি। লেখেন, "শতরূপ ঘোষের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে। সর্বভারতীয় চ্যানেলে বসে আমার নামে ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার করার জন্য। আমি ২০১৪ সালে আইসিসি রিপোর্ট অনুযায়ী এবং ২০১৮ সালে কোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। তারপরও সব জেনে বুঝে আমার সামাজিক সন্মান নষ্ট করার জন্য এমন ইচ্ছাকৃত মন্তব্য করা হয়। বাকিদের নামেও হবে কেস হবে। মিথ্যা বক্তব্য ও অপপ্রচার করে সম্পূর্ণ বাম-নকশাল গোষ্ঠী আমাদের থামাতে পারবে না।"

 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement