বিচারাধীনের তালিকায় থাকা ভোটারদের সিংহভাগের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিয়েছেন বিচারকরা। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামো তৈরি করতে ব্যর্থ কমিশন। তাই বিচারাধীনের তালিকা থেকেও যারা বাদ যাওয়া যোগ্য ভোটাররাও এবার ভোট দিতে পারবেন কি না তা এখনও ধোঁয়াশা।
তবে কমিশনের একটি সূত্র জানাচ্ছে, পরিকাঠামো তৈরি করে বিচারপতিদের কাজ শুরু করতে এখনও কম করে একমাস সময় লাগবে। তাই যোগ্য হয়েও লক্ষ লক্ষ মানুষ এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদান থেকে বঞ্চিত হবেন। কারণ, রাত ফুরোলেই প্রথম দফা ভোটের তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। বিচারাধীন তালিকা থেকেও বাদ যাওয়া যোগ্যদের ভোটদানে বঞ্চিত করেও কোনও অনুশোচনা নেই জ্ঞানেশ কুমার বাহিনীর। বরং পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ করা হয়েছে।
শনিবার পর্যন্ত বিচারাধীন ৫৭ লক্ষের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে ট্রাইব্যুনালে অনলাইন ও অফলাইন আবেদন করার দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতিদের কাজের জন্য জোকার একটি সংস্থার অফিসকে চিহ্নিতও করা হয়েছে। কিন্তু কবে থেকে কাজ শুরু হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কারণ বিচারপতিদের কাজ করার জন্য ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই সেখানে।
শনিবার পর্যন্ত বিচারাধীন ৫৭ লক্ষের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে ট্রাইব্যুনালে অনলাইন ও অফলাইন আবেদন করার দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতিদের কাজের জন্য জোকার একটি সংস্থার অফিসকে চিহ্নিতও করা হয়েছে। কিন্তু কবে থেকে কাজ শুরু হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কারণ বিচারপতিদের কাজ করার জন্য ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই সেখানে। ক্ষোভে ট্রাইব্যুনাল থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন প্রাক্তন বিচারপতি তপেন তাই বিচারাধীন তালিকা থেকে বাদ যাওয়া ভোটারদের কতজন শেষ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে ভোট দিতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
