shono
Advertisement
Samik Bhattacharya

'কিছু জেলা যেন বাংলাদেশ', খুঁটিপুজোয় গিয়ে রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ শমীকের

দুর্গাপুজোকে 'উৎসব' করে দেওয়ায় বিগত তৃণমূল সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন শমীক। তাঁর কথায়, "মাঝে পুজো বলা হত না। উৎসব করে দেওয়া হয়েছিল। এটা পুজো। এই পুজোকে ধরে রাখতে হবে।"
Published By: Jaba SenPosted: 01:00 PM Jul 16, 2026Updated: 03:39 PM Jul 16, 2026

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আজ, বৃহস্পতিবার কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা মনে হচ্ছে বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমার হাত ভেঙে, ঘট তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ রাজ্যেও দিকে দিকে বাংলাদেশের মতো নিদান দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, প্রদীপ জ্বালতে পারবে কিন্তু শাঁখ বাজাতে পারবে না, মরদেহ পোড়াতে পারবে কিন্তু হরিবোল দিতে পারবে না। স্বাধীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বুকে এই সব ঘটনায় উদ্বিগ্ন শমীক ( Samik Bhattacharya)। অন্যদিকে, দুর্গাপুজোকে 'উৎসব' করে দেওয়ায় বিগত তৃণমূল সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর কথায়, "মাঝে পুজো বলা হত না। উৎসব করে দেওয়া হয়েছিল। এটা পুজো। এই পুজোকে ধরে রাখতে হবে।"

Advertisement

কলেজ স্কোয়্যারের খুঁটিপুজোয় শমীক ভট্টাচার্য।

আজ রথযাত্রার দিন সকালে কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শমীক। তিনি স্পষ্ট করে দেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গে এবার নির্বিঘ্নে পুজো হবে। রাজ্যে মৌলবাদ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশে দুর্গাপুজোর গান বাজানোর পরে সেখানেই ডিজে বাজিয়ে দেওয়া হয়। ডিজে শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, বাংলাদেশেও এই সংস্কৃতি রয়েছে। এমনকী মুর্শিদাবাদেও ডিজে বেজেছে। সেখানে প্রতিমাশিল্পী বাবা ও ছেলে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশের মতো নিদান দেওয়া হচ্ছে।

তিনি স্পষ্ট করে দেন, দুর্গাপুজোটা 'উৎসব' নয়, পুজো। বিগত তৃণমূল সরকার পুজোটাকে উৎসব করে দিয়েছিল। শমীকের কথায়, "মাঝে আবার দুর্গাপুজোকে পুজো বলা হত না। উৎসব করে দেওয়া হয়েছিল। উৎসব করে দেবী প্রতিমাকে সরিয়ে নিলে কোনও মানুষ কলেজ স্কোয়ারে ঢুকবে না। দুর্গা প্রতিমাকে সামনে রাখতে না পারলে যত বড়ই থিম হোক না কেন লোক আসবে না। এটা পুজো। এই পুজোকে ধরে রাখতে হবে।"

শমীক আরও জানান, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর প্রবল অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ছুটে গিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাড়িতে। কিন্তু তিনি সহযোগিতা পাননি। হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে শ্যামাপ্রসাদ একা লড়াই করেছেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement