সোশাল মিডিয়ায় রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মহাপ্রভু জগন্নাথের কাছে সকলের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন মোদি। অন্যদিকে, দেশ, সমাজ ও মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। রথের দিন সকালে মা ও স্ত্রীকে নিয়ে ইসকনের হেডকোয়ার্টার মায়াপুরে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। মায়াপুর চন্দ্রদয় মন্দিরে ভগবানের উদ্দেশে আরতি করেন তিনি। এরপর অংশ নেন গোমাতার পুজোয়।
যজ্ঞানুষ্ঠানে সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষ। নিজস্ব ছবি।
সোশাল মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী লেখেন, "পবিত্র রথযাত্রা উপলক্ষে সকলকে জানাই শুভেচ্ছা। এই উৎসব ভারতের শাশ্বত আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ। রথযাত্রার সঙ্গে জড়িত রীতিনীতি ভারত তথা বিশ্বজুড়ে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে এসেছে। এই উৎসব বিনম্রতা, সম্মিলিত অংশগ্রহণ এবং নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শকে অনুপ্রাণিত করে। মহাপ্রভু জগন্নাথ সকলকে সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি দিক।"
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, "শুভ রথযাত্রার পবিত্র তিথিতে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেব, শ্রীশ্রী বলভদ্র দেব ও মাতা সুভদ্রা দেবীর চরণে জানাই শতকোটি প্রণাম। প্রভুর অশেষ কৃপায় সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হোক। তাঁর আশীর্বাদে আমাদের দেশ, সমাজ ও মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল ও কল্যাণ সাধিত হোক এই প্রার্থনা করি। পবিত্র রথযাত্রা উপলক্ষে সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। জয় জগন্নাথ"
মায়াপুরে গোসেবা করছেন দিলীপ ঘোষ ও তাঁর স্ত্রী। নিজস্ব ছবি।
অন্যদিকে, রথযাত্রার দিন সকালে মা ও স্ত্রীকে নিয়ে মায়াপুরে আসেন দিলীপ ঘোষ। আরতির পর গোসেবা করেন তিনি। নিজের হাতে গোমাতাকে খাবার খাওয়ান। তারপর গোমাতার পা ধুয়ে দেন। অংশ নেন যজ্ঞানুষ্ঠানেও। স্ত্রী'কে নিয়ে রথের সকালে যজ্ঞাহুতিও দেন। দিলীপ জানান, ইসকনের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের রথযাত্রায় অংশ নিতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত এবং খুশি। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "তৃণমূলের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মশা, মাছি পর্যন্ত আর ঢুকতে পারবে না।" মদন মিত্রের শিবির বদলের প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীন বিষয়, এবিষয়ে তিনি কিছু বলতে চান না।
রথের সকালে মায়াপুরের মন্দিরে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। নিজস্ব ছবি।
