shono
Advertisement

Breaking News

Suvendu Adhikari

'ভূতে' লুটে খাচ্ছে রেশন! দুর্নীতির শিকড় উপড়াতে শুভেন্দু সরকারের স্ক্যানারে খাদ্যসাথী

মূল লক্ষ্য প্রতিবছর বিপুল সরকারি অর্থের অপচয় বন্ধ করা। চলতি বছর ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে এই অভিযান চালানো হবে।
Published By: Subhankar PatraPosted: 03:48 PM Jun 06, 2026Updated: 04:28 PM Jun 06, 2026

এবার নজরে খাদ্যসাথী। 'অযোগ্য' ও 'ভূতুড়ে' উপভোক্তা বাছাতে বিশেষ অভিযান চালাবে রাজ্য সরকার। মূল লক্ষ্য প্রতিবছর বিপুল সরকারি অর্থের অপচয় বন্ধ করা। চলতি বছর ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে এই অভিযান চালানো হবে। এসআইআরে যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাদের খাদ্যসাথী প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Advertisement

সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের চিহ্নিতকরণ করে রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। তবে যাঁরা সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্বের আবেদন করছে ও যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার পর এসআইআর ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন তাঁদের রেশন কার্ড সক্রিয় থাকবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা রেশন পাবেন।

কী ভাবে এই 'ভূত' তাড়ানোর অভিযান চলবে? সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এসডিও, বিডিও-রা তাঁদের নিজ নিজ এলাকা থেকে বাদ যাওয়া ভোটারদের তালিকা খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগে পাঠাবেন। এরপর খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগের কর্তারা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া সকলের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে কি না, বা বর্তমান অবস্থা কী তা যাচাই করবেন। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, "এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়া শেষ হলে অযোগ্যদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। সরকার জুন মাসের ১৫ তারিখের এই কাজ শেষ করতে চাইছে।"

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, প্রায় দু'কোটি মানুষ খাদ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে বিনামূল্যে রেশন পান। এই প্রক্রিয়া চালাতে সরকার কৃষকদের থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ করতে বছরে প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করে। এ দিকে রাজ্যের রাজস্বের হাল খুব একটা ভালো নয়। এখনই সেই রাজস্ব একলাফে অনেকটা বাড়ানো সম্ভবও নয়। তাই সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে অপব্য়য় রুখতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। এক আধিকারিক বলেন, "সন্দেহ করা হচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে এই প্রকল্পগুলোর অধীনে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপব্যবহার হয়েছিল। তাই, সকল রেশন কার্ড যাচাই করা আবশ্যক।"

উল্লেখ্য, অন্নপূর্ণা যোজনায় বেনোজল রুখতে নতুন করে আবেদন প্রক্রিয়া চালু করেছে রাজ্য সরকার। অন্নপূর্ণা যোজনার অধীনে, রাজ্য সরকার আনুমানিক দুই কোটি মহিলার প্রত্যেককে মাসে ৩,০০০ টাকা করে অনুদান দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের অধীনে প্রতিবছর প্রায় ৭২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে হবে। পূর্ববর্তী সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালানোর জন্য বছরে প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করত। এ ছাড়াও আরও জনকল্যাণ প্রকল্প রয়েছে। তা চালাতে গিয়ে অনেক টাকা খরচ হবে। সরকারি টাকার অপব্য়য় রুখতে এই সিদ্ধান্ত বলে খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement