রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বেলার দিকে তিনি লোকভবনে যান। রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান। তাঁর সঙ্গে দেখা করে কুশল বিনিময়ের পর কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয়। এর আগে গত ৮ মে শুভেন্দু অধিকারীর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার দিনই তিনি লোকভবনে গিয়ে সরকার গঠনের দাবিপত্র পেশ করেছিলেন। তারপর আজ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করলেন।
আগামী মাসে রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। রীতি মেনে তার সূচনা করার কথা রাজ্যপালেরই। এছাড়া মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর নতুন মন্ত্রীদের রাজভবনে শপথ নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, শুভেন্দু-রবির আলোচনায় এসব প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।
বুধবার দুপুর ১২টার কিছু আগে শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি পৌঁছয় লোকভবনে (আগেকার রাজভবন)। তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যপাল আর এন রবি। এরপর দু'জনের একান্তে কিছুক্ষণ কথা হয়। ইতিমধ্যে নতুন সরকার জনকল্যাণমূলক কাজ নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একাধিক প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী মাসে রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। রীতি মেনে তার সূচনা করার কথা রাজ্যপালেরই। এছাড়া মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর নতুন মন্ত্রীদের রাজভবনে শপথ নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, শুভেন্দু-রবির আলোচনায় এসব প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।
বুধবার দুপুরে আর এন রবির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা শুভেন্দুর। ছবি: কৌশিক দত্ত
গত ৪ মে বিপুল জনাদেশ নিয়ে রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৮টি আসনেই গেরুয়া ঝড়। এরপর গত গত ৮ মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে বৈঠক করেন রাজ্যের দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে। সর্বসম্মতিক্রমে ঠিক হয়, ভবানীপুরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করা 'জায়েন্ট কিলার' শুভেন্দু অধিকারীকেই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসানো হবে। শাহ সেই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর ওইদিনই জয়ী বিধায়কদের কয়েকজনকে নিয়ে লোকভবনে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপালের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ দিয়ে সরকার গঠনের আবেদন জানিয়েছিলেন।
