আজ, বুধবার বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আজ, বুধবারই প্রথম বিধানসভায় পা রাখবেন শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। শনিবার ব্রিগেডের সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু শপথ নেন। রাজ্যপাল আর এন রবি শপথবাক্য পাঠ করান। শুভেন্দু ছাড়াও আরও পাঁচ মন্ত্রী সেদিন শপথ নিয়েছিলেন।
এর আগে গত পাঁচ বছর শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভায় ঢুকবেন। তাই তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। এরপর সংবিধান রচয়িতা বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দিষ্ট ঘরে বিশেষ পুজোয় অংশ নেবেন। প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় জানিয়েছেন, বুধবার বেলা ১১টায় প্রথমে বিধায়ক হিসাবে শপথ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, ভবানীপুরের বিধায়ক হিসাবে তিনি শপথ নেবেন। এরপরই প্রথমে মন্ত্রীরা শপথ নেবেন, পরে অন্য মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রোটেম স্পিকার।
এর আগে গত পাঁচ বছর শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভায় ঢুকবেন। তাই তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। এরপর সংবিধান রচয়িতা বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দিষ্ট ঘরে বিশেষ পুজোয় অংশ নেবেন।
এরপর উত্তরবঙ্গ ও মুর্শিদাবাদের জয়ী প্রার্থীরাও শপথ নেবেন প্রথমার্ধে। নদিয়া ও দুই ২৪ পরগনার জয়ী প্রার্থীরা দ্বিতীয়ার্ধে বিধায়কপদে শপথ নেবেন। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধে শপথ নেবেন কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের জয়ী প্রার্থীরা। এরপর পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের জয়ী প্রার্থীদের শপথগ্রহণ হবে দ্বিতীয়ার্ধে। যেহেতু শুভেন্দু ও হুমায়ুন, দুটি করে আসনে জয়ী হয়েছেন এবং তাপস রায় ইতিমধ্যে শপথ নিয়েছেন, তাই আপাতত ২৯০ জন প্রার্থীর শপথ হওয়ার কথা।
মঙ্গলবার কলকাতার লোকভবনে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় প্রোটেম স্পিকার হিসাবে তাপস রায়কে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আর এন রবি। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, নিশীথ প্রামাণিক ছাড়াও কয়েকজন বিজেপি বিধায়ক। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার শপথগ্রহণ থেকে ফিরে মুখ্যমন্ত্রী চলে আসেন লোকভবনে। প্রোটেম স্পিকারের ফের স্পিকার নির্বাচিত হতে কোথাও আইনত বাধা নেই। রীতি মেনে একদিন আগে প্রোটেম স্পিকারকে ইস্তফা দিতে হয়। ২০০৪ সালের ৪ জুন লোকসভার স্পিকার হওয়ার আগে প্রোটেম স্পিকার পদে ইস্তফা দেন সোমনাথ। যদি তাপস রায়ই স্পিকার হন সেই রীতি অনুসরণ করা হতে পারে।
