shono
Advertisement
Taratala Factory Collapse

উদ্ধারকাজের মাঝেই তারাতলার দুর্ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, কথা মন্ত্রী-পুলিশের সঙ্গে

নির্মাণকাজের দায়িত্বে কারা ছিলেন, কীভাবে কী ঘটেছে, এই সব সংক্রান্ত তথ্য নেন মুখ্যমন্ত্রী। 
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 04:52 PM Jun 24, 2026Updated: 06:44 PM Jun 24, 2026

উদ্ধারকাজ চলাকালীনই তারাতলার দুর্ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঘড়ির কাঁটায় পৌনে পাঁচটা নাগাদ তারাতলা যান তিনি। পৌঁছে প্রথমেই সেখানে উপস্থিত মন্ত্রী ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর যারা উদ্ধারকাজ করছেন তাঁদের থেকে পরিস্থিতির কথা জানতে চান। নির্মাণকাজের দায়িত্বে কারা ছিলেন, কীভাবে কী ঘটেছে, এই সব সংক্রান্ত তথ্যও নেন তিনি। 

Advertisement

তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল। ছবি-সুখময় সেন।

বন্দরের জমিতে তৈরি হচ্ছিল ওই চায়ের গুদামটি। বুধবার চলছিল তিনতলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ। সেই সময় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ। নিচে চাপা পড়ে যান শ্রমিকরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সেনা। আনা হয় অত্যাধুনিক পদ্ধতির গ্য়াসকাটার, ক্রেন। পৌঁছয় অ্য়াম্বুল্যান্স। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিধায়ক রাকেশ সিং, মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ও অগ্নিমিত্রা পাল, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। নবান্ন থেকে মনিটরিং করছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমেই অগ্নিমিত্রা পাল, ইন্দ্রনীল খাঁ ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরিস্থিতির খোঁজ নেন। এরপর নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিস্তারিত কিছু না বললেও তিনি জানান, তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ১২ থেকে ১৮ জন ভিতরে আটকে রয়েছে। দ্রুত তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

 উল্লেখ্য, এদিন দুর্ঘটনার পরই তারাতলায় পৌঁছয় দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সেনা। আনা হয় অত্যাধুনিক পদ্ধতির গ্য়াসকাটার, ক্রেন। পৌঁছেছে অ্য়াম্বুল্যান্স। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধার কাজ। এদিকে নবান্নের তরফে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। চালু করা হয়েছে তিনটি নম্বর। সেগুলো হল, 1070, 8697981070, 033 22143526 ও 033 22535185। এদিকে ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছেন। কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তাঁরা। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের দুর্নীতিকেই দায়ী করছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, বেআইনিভাবে গুদামটি তৈরি করা হচ্ছিল। কাটমানি নিয়ে এমন লোককে গোডাউন তৈরির কাজ দেওয়া হয়েছিল, যার এই কাজের কোনও অভিজ্ঞতাই নেই। পাশাপাশি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। যার জেরে এই ভয়ংকর পরিস্থিতি। এবিষয়ে পোর্টকে অভিযোগ জানানো হয়েছিল বলেই দাবি এলাকার এক বাসিন্দার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement