shono
Advertisement
Rename many streets

বদলের বাংলায় একঝাঁক রাস্তার নতুন নাম, বিশ্ব বাংলা সরণি বদলে শ্রী চৈতন্যদেবের নামে, মুছে যাবে লেনিন-মার্কসও!

কলকাতার রাস্তার নতুন নামকরণের জন্য একটি বিশেষ কমিটিও গড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যে কমিটির নেতৃত্ব দেবেন কার্তিক মহারাজ।
Published By: Arpita MondalPosted: 12:52 PM Jul 26, 2026Updated: 02:02 PM Jul 26, 2026

বদলের বাংলায় একঝাঁক রাস্তা পাবে নতুন নাম। বিশ্ব বাংলা সরণি, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলে যেতে পারে। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে দেওয়া কমিটির নামের সুপারিশেই নতুন নামকরণ হবে শহরের একগুচ্ছ রাস্তার। উল্লেখযোগ্য, বিশ্ব বাংলা সরণির নাম বদলে হতে পারে মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের নামে। তেমনটাই খবর সূত্রের। মুছে যেতে পারে লেলিন-কার্লমার্কসের মতো সরণিগুলির নামও।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, "কলকাতায় কোনও মুঘল, পাঠান, অত্যাচারী ব্রিটিশের নামে নামকরণ থাকবে না। ভগিনী নিবেদিতা ছাড়া কোনও বিদেশির নাম থাকবে না।" তাঁর কথায়, "এপিজে আব্দুল কালামের মতো কোনও প্রকৃত দেশভক্ত থাকলে তথ্য দিন, মর্যাদা দেবে রাজ্য সরকার।"

গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তোলায় মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, "কলকাতায় কোনও মুঘল, পাঠান, অত্যাচারী ব্রিটিশের নামে নামকরণ থাকবে না। ভগিনী নিবেদিতা ছাড়া কোনও বিদেশির নাম থাকবে না।" তাঁর কথায়, "এপিজে আব্দুল কালামের মতো কোনও প্রকৃত দেশভক্ত থাকলে তথ্য দিন, মর্যাদা দেবে রাজ্য সরকার।" নামকরণ মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটিও গড়ে দেন তিনি। সেই কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয় কার্তিক মহারাজকে। সেই কমিটির সুপারিশ করা নাম পৌঁছে যাবে সরকারের কাছে। সরকারি অনুমোদনের পরেই ধাপে ধাপে বদলে ফেলা হবে শহরের বেশ কয়েকটি রাস্তার নাম। ইতিমধ্যেই নামবাছাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, পুজোর আগেই বিশ্ববাংলা সরণিতে বসতে পারে নতুন নামের ফলক।

রাস্তার নতুন নামকরণ প্রসঙ্গে কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, "আমরা বাংলার ঐতিহাসিকবিদ, যারা স্বাধীনতার সঙ্গে যুক্ত, ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত, তাদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছি। সেই কমিটিতে দশটি নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। কোন জায়গায় কোন নাম হবে তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমান প্রজন্মের ধারনা বদলে ফেলার চেষ্টা হয়েছে ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে। ভুল বার্তার জন্য বিদেশিরা তাদের সংস্কৃতি আমাদের উপর চাপিয়ে দিতে পেরেছিল। আমরা চাই ভারতীয় উৎকর্ষের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁদের নামেই নামাঙ্কিত হোক সরণি।"

প্রসঙ্গত, গত মাসের ২১ তারিখ বদলের বাংলায় প্রথম রাস্তায় নাম বদলে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। সোরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে হয় গোপাল মুখার্জি রোড। মহম্মদ আলি জিন্নার ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’ বা ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসে’ কলকাতার রাজপথ পিচ্ছিল হয়ে ওঠে হিন্দুদের রক্তে। রক্তগঙ্গা বয়ে যায় হাওড়াতেও। রক্তাক্ত হয়ে হিন্দু বাঙালিকে রক্ষা করার নায়ক ছিলেন গোপাল পাঁঠা। হিন্দুদের বাঁচাতে হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতায় পাকপন্থী দাঙ্গাকারীদের পালটা মার দিতে শুরু করে হিন্দুরা। বউবাজারের বাসিন্দা গোপালদের ছিল পাঁঠার দোকান। পেশায় ছিলেন একজন কসাই। সে কারণেই তিনি গোপাল পাঁঠা নামে পরিচিত। সেই গোপাল পাঁঠার নামেই হয় রাস্তা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement