ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোয়ন্নয়নে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। বাংলায় শিক্ষা খুব শীঘ্রই জুড়তে চলেছে জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে, সে কথা আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানান তিনি। এবার রাজ্যে 'পরখ' নামে নতুন কর্মশালা চালু করল রাজ্য। জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর হওয়ার আগে শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। তাই নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষকদের বিশেষ ট্রেনিং দিতে পাঁচ দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপের সূচনা করা হল এদিন। সোমবার বিদ্যাসাগর ভবনের অডিটোরিয়ামে স্কুল শিক্ষামন্ত্রীর হাতে উদ্বোধন হল নতুন কর্মশালার।
এই কর্মশালার মাধ্যমে মুখস্থ-নির্ভর পড়াশোনার বদলে এবার স্কিল বেসড অর্থাৎ দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়াই মূল লক্ষ্য। নতুন শিক্ষানীতির ভিত্তিতে প্রশ্নপত্র এবং সামগ্রিক রিপোর্ট কার্ডেও যে বদল আসবে, সে সম্পর্কে শিক্ষকদের সম্যক ধারানা দেবে এই কর্মশালা।
জাতীয় শিক্ষানীতির অঙ্গ হিসেবে এনসিইআরটি-র অধীনে 'পরখ' হল একটি মূল্যায়ন ভিত্তিক প্রক্রিয়া। জানা গিয়েছে, এই কর্মশালার মাধ্যমে মুখস্থ-নির্ভর পড়াশোনার বদলে এবার স্কিল বেসড অর্থাৎ দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়াই মূল লক্ষ্য। নতুন শিক্ষানীতির ভিত্তিতে প্রশ্নপত্র এবং সামগ্রিক রিপোর্ট কার্ডেও যে বদল আসবে, সে সম্পর্কে শিক্ষকদের সম্যক ধারানা দেবে এই কর্মশালা। স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন জানিয়েছেন, "শিশুদের সার্বিক উন্নয়নের যে রিপোর্ট কার্ড তৈরি হবে, সেই রিপোর্ট কার্ডেও বেশ কিছু পরিবর্তন হয়েছে। রিপোর্ট কার্ডের বিভিন্ন প্যারামিটারগুলির বিষয়ে সমস্ত স্কুলের শিক্ষকদের জানানো হবে এই ওয়ার্কশমে। শিক্ষকদের যে কোনও সমস্যা ও অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে ট্রেনিং দেওয়া হবে।" আগামীতে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা সর্বত্র পৌঁছে দিতে রাজ্যের সব স্কুলগুলিতে ইন্টারনেট সংযোগ করা হবে জানান স্কুল শিক্ষামন্ত্রী।
তবে কি এবারের মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্রও বদলে যাবে? দীপক বর্মন জানিয়েছেন, কোন পরীক্ষার ক্ষেত্রে লাগু হবে, সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। নির্দিষ্ট সময়ে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তেব খেলাধুলো, কালচারাল প্রোগ্রাম, ললিতকলা বিদ্যায় বিশেষ জোর দেওয়া হবে। শিক্ষককে ট্রেনিংয়ের পরই প্রত্যেকটি স্কুলে শিক্ষাব্যবস্থার বদল আসবে বলে জানিয়েছেন স্কুলশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী।
