ফের সিইও দপ্তরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। বাংলার ভোটারের সংখ্যা দু'রকম হল কীভাবে? কবে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ প্রকাশ হবে? সেই প্রশ্ন তোলা হল। বাংলার ৬০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ কী হবে? সেই প্রশ্নও এদিন আরও একবার তোলা হল।
সিইও দপ্তরে এদিন তৃণমূলের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র, পার্থ ভৌমিক ও রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য উপস্থিও হন। সন্ধ্যায় আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিককের মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁরা। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সেসময় বাংলার ভোটারের সংখ্যা বলা হয়েছিল ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজারের কিছু বেশি। পরবর্তীকালে ১৫ মার্চ নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণার সময় জানিয়েছিল বাংলার ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯।
এই দু'রকমের সংখ্যা কেন? কাদের নাম তালিকায় আছে? কাদের নেই? সেই বিষয়ে ফের প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা কবে প্রকাশিত হবে? সেই প্রশ্নও এদিন তোলা হয়েছিল। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী শুক্র বা শনিবার তালিকা প্রকাশ হতে পারে। কিন্তু কবে সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ হবে? সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে প্রতিনিধি দল। শুধু তাই নয়, দুই বঙ্গে দু'দফায় নির্বাচন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনও খুব একটা বেশি দেরি নেই। তাহলে কবে বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে? সেই প্রশ্নও তোলা হয়।
শুধু তাই নয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো কমিশন কাজ করছে না। হাইকোর্টের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে না। সেই অভিযোগও এদিন করা হয়েছে। এদিকে, আজ, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের তৈরি করে দেওয়া উচ্চস্তরের কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল ও কমিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। উপস্থিত ছিলেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে সুব্রত বলেন, “শুক্র বা শনিবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হবে। ২০ লক্ষের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে।” তবে সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল কিছু বলতে চাননি।
