shono
Advertisement
Vishva Hindu Parishad

মণ্ডপের আশেপাশে চলবে না আমিষ! বাংলার পুজোর আয়োজকদের বার্তা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

ভিএইচপির তরফে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, পুজো কমিটিগুলি যদি মাতৃপ্রতিমার পবিত্রতা বজায় রাখতে পদক্ষেপ না করে, তাহলে তাঁদের সংগঠন 'হস্তক্ষেপ' করতে বাধ্য হবে।
Published By: Subhajit MandalPosted: 12:30 PM Aug 28, 2026Updated: 01:33 PM Aug 28, 2026

পালাবদলের বঙ্গে কি এবার পুজো মণ্ডপের আশেপাশে আমিষ খাবার বিক্রিতেও বিধি নিষেধ? অন্তত তেমনটাই চাইছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishva Hindu Parishad)। সনাতনী ঐতিহ্য বজায় রাখার স্বার্থে বাংলার দুর্গাপুজো মণ্ডপগুলিকে আমিষমুক্ত করতে হবে। পুজোর আয়োজকদের উদ্দেশ্যে এমনটাই বার্তা দিচ্ছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, "পুজোয় মাংস পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে, সেটা আমরা বলছি না। কিন্তু মণ্ডপের আশেপাশে সেটা না করাই ভালো।"

Advertisement

বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সার্বিকভাবে বাংলার পুজোতে আমিষ বন্ধ করার কথা বলছে না। তবে তাদের সাফ কথা, পুজো মণ্ডপের আশেপাশে কোনওভাবেই আমিষ খাবার বিক্রি করা বা খাওয়া যাবে না। মাতৃপ্রতিমার আশেপাশে যাতে কোনওভাবেই আমিষের ছোঁয়া না আসে, সেটা নিশ্চিত করাটাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। আরএসএসের সঙ্গে সংযুক্ত সংগঠনটির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য নির্গুণানন্দ এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলছেন, "দেখুন আমরা বলছি না যে পুজোয় আমিষ খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ। বাংলায় পুজো যে কোনও কালেই নিরামিষ ছিল না সেটা আমরা জানি। তবে মাতৃপ্রতিমার পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।"

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishva Hindu Parishad) ওই নেতা জানাচ্ছেন, মাতৃ প্রতিমার পবিত্রতা রক্ষা করাটা সনাতনীদের কর্তব্য। প্রতিমা এবং আশেপাশের পবিত্রতা এবং পরিচ্ছন্নতা দুটোই বজায় রাখা দরকার। নির্গুণানন্দ বলছেন, "আমিষ খাবার যদি নিতান্তই বিক্রি করতে হয়, তাহলে সেটা করতে হবে পুজো মণ্ডপের বাইরের নির্দিষ্ট কোনও জায়গায়। যাতে সেই খাবারের অবশিষ্টাংশ মণ্ডপের আশেপাশে না আসতে পারে।" ভিএইচপির তরফে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে, পুজো কমিটিগুলি যদি মাতৃপ্রতিমার পবিত্রতা বজায় রাখতে পদক্ষেপ না করে, তাহলে তাঁদের সংগঠন 'হস্তক্ষেপ' করতে বাধ্য হবে।

ভিএইচপির ওই নেতা 'ধর্ম যার যার, উৎসব সবার' এই স্লোগানেও আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, "হিন্দু সংস্কৃতি, আবেগ এবং আধ্যাত্মিকতা পালন করবে শুধু সনাতনীরাই। ধর্মও যেমন প্রত্যেকের ব্যক্তিগত, তেমনই উৎসবও প্রত্যেকের ব্যক্তিগতই।" তিনি বলছেন, "অন্য ধর্মের কেউ চাইলে পুজো প্যান্ডেলে আসতেই পারেন। কিন্তু হিন্দুদের ধর্মের রীতিনীতি রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু হিন্দুদেরই।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement