বাংলাজুড়ে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি এবার জোরদারভাবে পালন করতে চলেছে বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে দল। বঙ্গে এখন বিজেপির সরকার। আর তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশেই পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকের জেলায় হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিকে এবার এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে চলেছে গেরুয়া শিবির। এমনটাই সূত্রের খবর।
‘হর ঘর তিরঙ্গা’ হল ভারত সরকারের ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অধীনে একটি দেশব্যাপী প্রচার। দেশের প্রতিটি নাগরিককে তাঁদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে উৎসাহিত করা। নাগরিকদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করার এবং জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি বিশেষ উদ্যোগ। আর তাই এবার স্বাধীনতা দিবসে বাংলায় সকলের ঘর থেকে মহল্লায় উড়বে জাতীয় পতাকা। এ বছর বাংলায় বিজেপির হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি শুরু হবে আগামী ৯ অগস্ট। চলবে ১৪ অগস্ট পর্যন্ত। রাজ্য বিজেপির তরফে এই কর্মসূচির ইনচার্জ করা হয়েছে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ’কে। কো-ইনচার্জ হয়েছেন অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় (রাজু), সোনালি মুর্মু সোরেন, মহাদেব সরকার ও ফাল্গুনী পাত্র। রাজ্যের সব জেলায় এই কর্মসূচি হবে। জেলা কমিটিগুলির কাছে দলের তরফে নির্দেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলীয় পতাকা নয় জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল হবে। শুধু তাই নয়, এই কর্মসূচি চলাকালীন বাংলায় এসে একটি সভা করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) আবেদন করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফে। রবিবার বিকেলে পর্যন্ত একাধিক কর্মসূচিতে রাজ্যেই ছিলেন অমিত শাহ।
এ বছর বাংলায় বিজেপির হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি শুরু হবে আগামী ৯ অগস্ট। চলবে ১৪ অগস্ট পর্যন্ত। রাজ্য বিজেপির তরফে এই কর্মসূচির ইনচার্জ করা হয়েছে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ’কে।
সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এই কর্মসূচির বিষয়টি তাঁর কাছে রাখা হয়েছে। সেই সময় শাহ ফের বাংলায় আসতে পারেন বলেই খবর। রাজ্যে ক্ষমতায় না থাকায় এতদিন নানা কর্মসূচি করতে গিয়ে বাধা পেতে হত আগের সরকারের থেকে। তাই এবার হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিকে রাজ্যের প্রত্যেক প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানালেন বিজেপির এক রাজ্য নেতা। তাছাড়া অমিত শাহ এই কর্মসূচিতে বাংলায় এলে কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও নেতাদের নিয়ে আসারও চেষ্টা করছে পদ্ম শিবির। প্রত্যেকের বাড়িতে জায়তীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
বিজেপির পার্টির তরফেও এলাকায় এলাকায় জাতীয় পতাকা দেওয়া হবে। দেশের স্বাধীনতাকে স্মরণ করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও দেশাত্মবোধক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এছাড়া, সরকারি-বেসরকারি অফিস, স্কুল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ছাড়াও দোকানপাট সর্বত্র উত্তোলন করা হবে জাতীয় পতাকা।
