shono
Advertisement
Suvendu Adhikari

তাজপুর নয়, দাদনপাত্রবাড়ে গভীর সমুদ্রবন্দর! আদানিদের সঙ্গে আলোচনায় শুভেন্দু সরকার

পূর্বতন রাজ্য সরকারের আমল থেকেই শোনা গিয়েছিল তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি হবে। তার ফলে বদলে যাবে তাজপুরের চেহারা। বাড়বে কর্মসংস্থান। তবে সে প্রকল্প আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
Published By: Sayani SenPosted: 03:04 PM Jun 04, 2026Updated: 06:51 PM Jun 04, 2026

পূর্বতন রাজ্য সরকারের আমল থেকেই শোনা গিয়েছিল তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি হবে। তার ফলে বদলে যাবে তাজপুরের চেহারা। বাড়বে কর্মসংস্থান। তবে সে প্রকল্প আজও বাস্তবায়িত হয়নি। রাজ্য সরকারের পালাবদলের পর এই বিষয়ে নজর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার করণ আদানির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তবে সেই আলোচনার পর বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, জমি না থাকার ফলে তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর হওয়া সম্ভব নয়। বিকল্প হিসাবে দাদনপত্রবাড়ে হতে পারে গভীর সমুদ্রবন্দর।

Advertisement

শুভেন্দু বলেন, "তাজপুরে সরকারের কাছে জমি নেই। তাই সেখানে গভীর সমুদ্রবন্দর হওয়া সম্ভব নয়। তার পরিবর্তে তাজপুর থেকে ১০ কিমি দূরে দাদনপাত্রবাড়ে যেখানে নুনের পুরনো কারখানা ছিল সেখানে ১ হাজার ৭০০ একর জমি রয়েছে। ওই জায়গাটির কথা করণ আদানিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।"

এদিন শুভেন্দু বলেন, "তাজপুরে সরকারের কাছে জমি নেই। তাই সেখানে গভীর সমুদ্রবন্দর হওয়া সম্ভব নয়। তার পরিবর্তে তাজপুর থেকে ১০ কিমি দূরে দাদনপাত্রবাড়ে যেখানে নুনের পুরনো কারখানা ছিল সেখানে ১ হাজার ৭০০ একর জমি রয়েছে। ওই জায়গাটির কথা করণ আদানিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।" পরবর্তীকালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুরের তাজপুরে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গ্রিনফিল্ড প্রযুক্তিতে বন্দর তৈরি হওয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছিল পূর্বতন রাজ্য সরকার। এর পরিকাঠামো নির্মাণে বিনিয়োগ হওয়ার কথা ছিল আরও প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদানিদের এই প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক আগ্রহপত্র বা লেটার অফ ইনটেন্ট তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর আদানি গোষ্ঠীর অন্যতম কর্ণধার করণ আদানির হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এরপর একাধিকবার এই গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে জল্পনা দানা বাঁধে। কাজেও সেভাবে অগ্রগতি আসেনি।

যদিও পূর্বতন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কখনওই বলা হয়নি যে আদানি গোষ্ঠী এই বন্দর প্রকল্প থেকে সরে গিয়েছে। তবে শোনা গিয়েছিল, তাজপুর বন্দর নির্মাণের দরপত্রে সর্বোচ্চ দর হাঁকা APSEZ (আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকনমিক জোন) সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, বিদেশ ও জাহাজ মন্ত্রকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র চাওয়া হয়েছিল। শোনা যায়, সেই সময় সামগ্রিকভাবে সমস্ত শর্তপূরণ করতে পারেনি আদানি গোষ্ঠী। তাই ছাড়পত্রও মেলেনি। সেই কারণে শেষপর্যন্ত এই প্রকল্প আর আদানিদের হাতে রাখেনি পূর্বতন সরকার। ক্ষমতা বদলের পর সেই তাজপুর গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে আলোচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement