ভারত: ১৭০/৪ (হরমনপ্রীত ৫৬, স্মৃতি ৩৮, শেফালী ৩৪, জেমেইমা ৩৪, সোফি ৪৬/২)
অস্ট্রেলিয়া : ১৭২/৪ (পেরি ৫৬, গার্ডনার ৫৩, শ্রী ৩২/২)
ছয় উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া।
২০ ওভারে ১৭০ রান কম হয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ পর্যায় থেকেই বিদায়। স্টেডিয়ামের অন্যতম দর্শক বিরাট কোহলি সামনেই বিশ্বকাপ ভারতের মেয়েদের স্বপ্নভঙ্গ হল। ছয় উইকেটে কার্যত অনায়াশে ম্যাচ জিতে নিল শেন ওয়ার্নের দেশের প্রমীলা বাহিনী। ফলে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে উঠল তারা। অন্যদিকে দ্বিতীয় দল হিসাবে শেষ চারে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘরের মাটিতে এক দিনের বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ান দল যেন সহজেই হার মানল।
ইংল্যান্ডের আবহাওয়ায় আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্তই ভোগাল ভারতকে। সকালের মেঘলা পরিবেশে ব্যাট করা কঠিন হয়ে উঠছিল। ফলে ভারতীয় দলের অধিকাংশ ব্যাটার রান পেলেও, দিনের শেষে ধীর গতির স্কোরবোর্ডই সর্বনাশ ডেকে আনল। অথচ পরে ব্যাট করতে নেমে রৌদ্রকরোজ্জ্বল পরিবেশের সুবিধা পেল সোফি মলিনেক্সের দলের খেলোয়াড়রা। ৩৪ রান করে আউট হলেন শেফালি। ৩৮ রানের মাথায় রান আউট হলেন স্মৃতি। অন্যদিকে ২৮ বল খেলে ৩৪ রান করেন জেমেইমা। টি২০ ক্রিকেটে যা অপরাধ। অধিনায়ক হরমনপ্রীতের লড়াই ভারতকে ১৭০ রানে পৌঁছে দেয়। এদিন ২৭ বলে ৫৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। যদিও যা ঘটবার তা আগেই ঘটে গিয়েছিল।
তথাপি দলগত ৪ রানের মাথায় অস্ট্রেলিয়ার প্রথম উইকেট (জর্জিয়া ভল) পড়ায় আশায় বুক বাঁধছিল ভারতীয় সমর্থকরা। এমনকী ৯ ওভার ১ বলে তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল বিপক্ষ দলের। ওদের রান দখন মোটে ৬৮। কিন্তু সেখানেই সমস্ত লড়াইয়ের ইতি। ফিবি লিচফিল্ড ও বেথ মুনি আউট হওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ খেললেন পেরি ও গার্ডনার। তাঁদের ১০০ রানের জুটি অস্ট্রেলিয়াকে জিতিয়ে দিল। ৩৮ বলে ৫৬ রান করে পেরি আউট হলেও গার্ডনার ২৯ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকলেন। শেষ পর্যন্ত এক ওভার বাকি থাকতেই ছয় উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া। ভালো কথা, কেবল বিরাট কোহলি নয়, ইংল্যান্ডের মাঠে ভারতের লজ্জার হার দেখলেন অনুষ্কা শর্মা, শিখর ধাওয়ান, রবি শাস্ত্রীরাও।
চূড়ান্ত বেদনার মধ্যে একমাত্র পাওয়া--- ঝুলন গোস্বামীর রেকর্ড ভেঙে দীপ্তি শর্মা মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট সংগ্রহকারী হলেন আজ। তাঁর শিকারের সংখ্যা এখন ৩৫৬।
