shono
Advertisement
DA Meeting

কাটবে ডিএ জট? মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের আগে আশায় বুক বাঁধছেন সরকারি কর্মীরা

সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কনফেডারেশন অফ গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ, ইউনিটি ফোরাম ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের প্রতিনিধিরা থাকবেন বৈঠকে। প্রতিটি সংগঠনই আলোচনা করে সমাধানের সুষ্ঠু পথ বের করার বিষয়ে আগ্রহী।
Published By: Sayani SenPosted: 10:05 AM Jun 01, 2026Updated: 11:18 AM Jun 01, 2026

বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে রাজ্য সরকার ও সরকারি কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘ টানাপোড়েন। তা মেটাতে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করতে চলেছেন কর্মীদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের চারটি সংগঠনকে আলোচনায় ডাকা হয়েছে বলে খবর। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, কনফেডারেশন অফ গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ, ইউনিটি ফোরাম ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের প্রতিনিধিরা থাকবেন বৈঠকে। প্রতিটি সংগঠনই আলোচনা করে সমাধানের সুষ্ঠু পথ বের করার বিষয়ে আগ্রহী।

Advertisement

দীর্ঘদিন আগেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। সেখানে বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ৬ সপ্তাহ সময়। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ দেয়নি রাজ্য। বরং সুপ্রিম কোর্টের কাছে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চাওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়েছিল শুনানি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ সাফ জানান, ডিএ আইনি অধিকার, বকেয়া ডিএ দিতেই হবে। আদালত স্পষ্ট জানায়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দু’দফায় মিটিয়ে দিতে হবে মে মাসের মধ্যে। বলা হয়েছিল, প্রথম কিস্তি দিতে হবে মার্চের ৩১ তারিখের মধ্যে। তারপর যা বাকি থাকবে তার কতটা অংশ দেওয়া হবে, কতদিনের মধ্যে দিতে হবে, সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি। তবে সুপ্রিম রায় সত্ত্বেও ডিএ জট কাটেনি। এখনও টাকা পাননি রাজ্য সরকারি কর্মীরা।

তৎকালীন রাজ্য সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারে বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে। ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত তাঁদের তথ্য ডিজিটাল নয়। বরং সার্ভিস বুক আকারে হাতে লেখা নথি রয়েছে। ফলে সেগুলি ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে। আবার তার উপর এসআইআরের ফলে রাজ্য সরকারের হাতে প্রশাসনিক আধিকারিকের সংখ্যাও অনেক কম। তাই প্রশাসনিক এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ডিএ বকেয়া পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি জানানো হয়। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আহে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মার্চ মাসেই দিয়ে দেওয়া হবে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত একাংশের বকেয়া মেটানো হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘভাতা পাননি সরকারি কর্মীরা। এ ক্ষেত্রে শুক্রবার থেকে রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। তবে বর্তমানে যাঁরা কর্মরত, তাঁরা শুক্রবার থেকে ডিএ-র বকেয়া টাকা পাচ্ছেন না। এ সমস্ত নিয়েই এদিনের বৈঠকে আলোচনা হবে বলে খবর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement