স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়েই রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবা ঢেলে সাজাতে বড়সড় ঘোষণা করলেন ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বেসরকারি হাসপাতালগুলির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি জানালেন, এবার থেকে বেসরকারি হাসপাতালেও রোগীরা শয্যা পাবেন বিনামূল্যে। তবে তা মাত্র ১০ শতাংশ ফ্রি বেড পাওয়া যাবে। এর জন্য আয়ুষ্মান ভারত অথবা অন্য কোনও কার্ড লাগবে না, আধার কার্ড দেখালেই এই সুবিধা মিলবে। স্বভাবতই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় আপ্লুত আমজনতা। বেসরকারি হাসপাতালে উন্নততর পরিষেবা পেতে হলে যে রোগীদের পকেটে বিরাট চাপ পড়ে, সেই ভার কিছুটা লাঘব হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
স্বাস্থ্যদপ্তরের মন্ত্রী হয়েই দ্বিতীয় দিনে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে বৈঠক সারলেন ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সরকারি হাসপাতালে এতদিন ধরে রেফার রোগ, দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে সরগরম ছিল রোগী মহল, তা মুছে ফেলে রোগীদের ভরসা ফেরাতে তৎপর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে বেডের অভাব রয়েছে। তাই রোগীদের অন্যত্র রেফার করাটা নতুন নয়। কিন্তু এবার থেকে কোনও সরকারি হাসপাতালে রোগী শয্যা না পেলে, নিকটবর্তী বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে ১০ শতাংশ বেড সংরক্ষিত থাকবে, যাতে ওই ফিরে যাওয়া রোগী বিনামূল্যে পরিষেবা পাবেন।
রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, এতদিন জনপরিষেবার ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা হয়েছে, যাঁদের বঞ্চিত করা হয়েছে, সেই সমস্ত ক্ষেত্রকে ঢেলে সাজানো হবে। গুরুত্ব দেওয়া হবে স্বাস্থ্য, শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের নিখরচায় অপারেশনের মতো সুবিধা থাকলেও তা পেতে বিস্তর কাঠখড় পোড়াতে হতো বলে অভিযোগ। বদলের বাংলায় এসব 'রোগ' সারিয়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি তো বটেই, বেসরকারি হাসপাতালেও বিশেষ ক্ষেত্রে বিনামূল্যে পরিষেবা মিলবে বলে ঘোষণা করেছিলেন।
সেইমতো স্বাস্থ্যদপ্তরের মন্ত্রী হয়েই দ্বিতীয় দিনে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে বৈঠক সারলেন ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সরকারি হাসপাতালে এতদিন ধরে রেফার রোগ, দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে সরগরম ছিল রোগী মহল, তা মুছে ফেলে রোগীদের ভরসা ফেরাতে তৎপর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে বেডের অভাব রয়েছে। তাই রোগীদের অন্যত্র রেফার করাটা নতুন নয়। কিন্তু এবার থেকে কোনও সরকারি হাসপাতালে রোগী শয্যা না পেলে, নিকটবর্তী বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে ১০ শতাংশ বেড সংরক্ষিত থাকবে, যাতে ওই ফিরে যাওয়া রোগী বিনামূল্যে পরিষেবা পাবেন। মন্ত্রীর কথায়, ‘‘আমরা ১০ শতাংশ বেড চেয়ে নিয়েছি। ওই বেসরকারি হাসপাতালগুলি কোনও ভাবেই রোগী প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না। আমাদের জন্য আলাদা ভাবে শয্যা সংরক্ষিত রাখতে বলা হয়েছে।’’
মমতা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শারদ্বত বলেন, “এতদিন কাটমানি নেওয়া হত, তাই চক্ষুলজ্জায় কেউ বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়ার কথা বলত না। এখন আইনের শাসন জারি হয়েছে।” তবে পুরোপুরিভাব ওই পরিষেবা চালু করতে গেলে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চালু হবে টোল ফ্রি নম্বর।
